সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: নানাইয়ের ভাঙন আর হাতির হামলা! এই দুইয়ের আতঙ্কে রাত কাটে ধূপগুড়ির ঝাড়আলতা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের খুকুলুং বনবস্তি ও উত্তর খট্টিমারির কৃষকদের। পাশেই খট্টিমারি জঙ্গল। তা ঘেঁষে গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে নানাই নদী। অনেকেই এই নদীকে দুঃখিনী নানাই বলেন। কিন্তু, এই নাম কেন, তা জানেন না রাভা ও আদিবাসী জনজাতির মানুষ। শুধু জানেন, বর্ষা আসলেই দুঃখিনী নানাই কৃষিজমি তার গর্ভে নিয়ে দুঃখী করে তোলে নদীর তীরে বসবাস করা মানুষদের। নদীর একূল ভাঙে ওকূল গড়ে, কিন্তু দুঃখিনী নানাই ছাড় দেয়না কোনও কূলকেই। এজন্য হয়তো তাকে দুঃখিনী নানাই বলা হয় বলে অনেকের ধারণা। কিছু চাষ করলে জঙ্গল থেকে ছুটে আসে হাতির দল। ফসল বাঁচাতে রাত জেগে পাহাড়া দিতে হয় চাষিদের। এভাবে নদীর গর্ভে জমি বিলীন হলে খাব কি, প্রশ্ন তপ্পু মুণ্ডা, রাজেশ রাভার মতো মানুষদের।



