Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

লঙ্কা, টম্যাটো ফলিয়ে বাজারে দাম মিলছে না হলদিবাড়ির কৃষকদের

এ বছর কাঁচালঙ্কার দাম তলানিতে। টম্যাটোর দামও নিম্নমুখী। যে কারণে মাথায় হাত হলদিবাড়ি ব্লকের কৃষকদের। চাষিদের সূত্রেই জানা গিয়েছে, গত বছর হলদিবাড়ির পাইকারি বাজারে লঙ্কার দাম ছিল ৪০-৫০ টাকা প্রতি কেজি।

লঙ্কা, টম্যাটো ফলিয়ে বাজারে দাম মিলছে না হলদিবাড়ির কৃষকদের
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: এ বছর কাঁচালঙ্কার দাম তলানিতে। টম্যাটোর দামও নিম্নমুখী। যে কারণে মাথায় হাত হলদিবাড়ি ব্লকের কৃষকদের। চাষিদের সূত্রেই জানা গিয়েছে, গত বছর হলদিবাড়ির পাইকারি বাজারে লঙ্কার দাম ছিল ৪০-৫০ টাকা প্রতি কেজি। এ বছর তা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭-৮ টাকা কেজি। ফলে লঙ্কা চাষ করে চিন্তিত হলদিবাড়ি ব্লকের কৃষকরা।  টম্যাটোর দামও কেজি প্রতি ৮ টাকায় নেমে এসেছে। 

Advertisement

কোচবিহার জেলার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হলদিবাড়ি ব্লক কৃষিবলয় হিসেবে পরিচিত। হলদিবাড়ির উৎপাদিত টম্যাটো ও কাঁচালঙ্কা রাজ্য তথা দেশজুড়ে সমান চাহিদা একসময় ছিল। হলদিবাড়ি ব্লকের কৃষকদের কাছে অর্থকরী প্রধান ফসলই হল লঙ্কা ও টম্যাটো। একটা সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত সহ প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল, ভুটানেরও চাহিদা মেটাত হলদিবাড়ির লঙ্কা ও টম্যাটো। তবে বর্তমানে সেসব দেশের জমিতে কৃষকরা নিজেরাই লঙ্কা ও টম্যাটো চাষ শুরু করেছেন। এতে কিছুটা হলেও চাহিদা কমেছে হলদিবাড়ির সব্জির। 
হলদিবাড়ি ব্লকের লঙ্কা চাষি সঞ্জীব বর্মন বলেন, করোনার খরা কাটিয়ে তিন বছর লঙ্কা ও টম্যাটোর ভালো বাজার পেয়েছিলাম। এ বছর লঙ্কা ও টম্যাটোর দাম ফের তলানিতে নেমেছে। ফলে আমরা কৃষকরা এই দুই অর্থকরী ফসল চাষ থেকে আগ্ৰহ হারাচ্ছি। আরএক চাষি পার্থ রায় বলেন, এ বছর ঋণ করে জমিতে লঙ্কা ও টম্যাটো চাষ করেছি। কীভাবে ঋণ পরিশোধ করব ভেবে পাচ্ছি না। জমি থেকে এক কেজি লঙ্কা তুললে শ্রমিককে কেজি প্রতি ৪-৫ টাকা দিতে হয়। সেগুলি পাইকারি বাজারে এনে ৭-৮ কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। সেখানে থেকে মণ প্রতি লঙ্কার গাড়ি ভাড়া বাবদ ৩০ টাকা দিতে হচ্ছে। তাই এবার আর লাভের মুখ দেখছি না। টম্যাটোর ক্ষেত্রেও আশার আলো নেই। কেজি প্রতি পাইকারি বাজারে ৭-৮ টাকা।  
এ বিষয়ে পাইকারি ব্যবসায়ী আজগার আলি বলেন, অন্যান্য রাজ্যে স্থানীয়ভাবে লঙ্কা ও টম্যাটো চাষ হচ্ছে। ফলে হলদিবাড়ির লঙ্কা ও টম্যাটোর চাহিদা তেমন আর আগের মতো নেই। ৭-৮ টাকা কেজি দরে লঙ্কা কিনেছি। আসলে বাজারে চাহিদা না থাকায় চাষিরা দাম পাচ্ছেন না।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ