Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুর্গাপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাড়া পোড়াচ্ছেন চাষিরা

দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল ও দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকে পাকা ধান কাটার পরেই মাঠে নাড়া পোড়াচ্ছেন চাষিদের একাংশ। ফলে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি চাষের মাটি উর্বরতা হারাচ্ছে।

দুর্গাপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাড়া পোড়াচ্ছেন চাষিরা
  • ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল ও দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকে পাকা ধান কাটার পরেই মাঠে নাড়া পোড়াচ্ছেন চাষিদের একাংশ। ফলে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি চাষের মাটি উর্বরতা হারাচ্ছে। কীটপতঙ্গের মৃত্যু হচ্ছে। অনুকূল পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কিছু অসচেতন চাষি নাড়া পোড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ। ব্লক প্রশাসন নাড়া পোড়া রুখতে ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এলাকায় এলাকায় মাইকিং করে চাষিদের সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়াও চাষিদের সঙ্গে দেখা করে ব্লক প্রশাসন ও কৃষিদপ্তর সচেতন করছেন। পাশাপাশি দুর্গাপুরের তপন বাউরি নামে একজন দিনমজুর পরিবেশপ্রেমী সাইকেলে ঘুরে ঘুরে চাষিদের সচেতন করছেন। 

Advertisement

তাঁর দাবি, বাস্তুতন্ত্র রক্ষার জন্য তিনি এই কাজ করে চলেছেন। তপনবাবু বলেন, আমি দিনমজুরের কাজ করি। প্রায় ৯ বছর ধরে সাইকেল চালিয়ে প্রকৃতি রক্ষায় সচেতনতা কাজ করছি। তাঁর অভিযোগ, বেশকিছু চাষি এখনও নাড়া পোড়াচ্ছেন। 
স্থানীয় ও ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরে দামোদর নদের আশপাশের এলাকায় ও দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লক সহ কাঁকসা ব্লকে ধান চাষ হয়। শীতের সময় খরিফ ধান পাকে। চাষিরা জমি থেকে ওই ধান শ্রমিক অথবা যন্ত্রের সাহায্যে কেটে নেওয়ার পর ধান গাছের অবশিষ্ট অংশ বা নাড়া আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন। আগুন ও ধোঁয়ায় ভরে ওঠে গোটা এলাকা। যার ফলে বায়ু দূষণের পাশাপাশি জমিতে থাকা কেঁচো ও উপকারি জীবাণু, কীটপতঙ্গ ধ্বংস হয়ে যায়। এছাড়াও একাধিক ক্ষুদ্র উদ্ভিদও বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। মাটি পুড়ে যাওয়ায় জমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। 
দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের বিডিও অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা ও কৃষিদপ্তর নিয়মিত এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছি। মাইকিং করেও সচেতন করা হচ্ছে। চাষিদের কাছে গিয়ে বোঝানো হচ্ছে। সবরকমভাবে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ