Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুপুরে দার্জিলিংয়ে দরদরিয়ে ঘাম, পাহাড়ে বহু হোটেলে চলছে পাখা

শুক্রবার দুপুর ২টো। দার্জিলিংয়ের চকবাজারে দাঁড়িয়ে ঘামছিলেন তনিমা বসু। রুমালে কপালের ঘাম মুছতে হচ্ছিল বারবার। শেষে আর না পেরে আইসক্রিমে গলা ভেজালেন।

দুপুরে দার্জিলিংয়ে দরদরিয়ে ঘাম, পাহাড়ে বহু হোটেলে চলছে পাখা
  • ১৪ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা: শুক্রবার দুপুর ২টো। দার্জিলিংয়ের চকবাজারে দাঁড়িয়ে ঘামছিলেন তনিমা বসু। রুমালে কপালের ঘাম মুছতে হচ্ছিল বারবার। শেষে আর না পেরে আইসক্রিমে গলা ভেজালেন। 

Advertisement

উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরের ঘোলার বাসিন্দা তনিমা গরম থেকে নিস্তার পেতে সপরিবারে এদিনই পা রেখেছেন শৈলশহরে। কিন্তু সেখানেও যে এমন অবস্থা হবে, কল্পনা করতে পারেননি। বললেন, আগে জানলে ব্যাগ ভারী করে সোয়েটার, জ্যাকেট আনতাম না। শিলিগুড়ি থেকে রোহিণী ছাড়ালেই গাড়ির জানালা দিয়ে ঢুকবে শিরশিরানি হাওয়া। সেই হাওয়ার পরশ গায়ে মেখে দার্জিলিংয়ের পথে এগিয়ে যাবেন পর্যটকরা। এটাই চেনা ছবি। কিন্তু কোথায় কী! জুন মাসে পাহাড়ে বেড়াতে এসে তো গরমে কার্যত সেদ্ধ হওয়ার জোগাড়! বলছিলেন বেহালার সুপর্ণা গুহ। কার্শিয়াং মোটর স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে বলেন, পাশেই একটা হোটেলে রয়েছি আমরা। সেখানে রীতিমতো ফ্যান চালাতে হচ্ছে। 
সুপর্ণা যে ভুল বলেননি, তা নিশ্চিত করছে পাহাড়ের তাপমাত্রা। এদিন কালিম্পংয়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কার্শিয়াং ৩২ ডিগ্রি। ২৫ ডিগ্রি ছুঁয়েছে দার্জিলিং। সঙ্গে চড়া রোদ থাকায় ঘাম ঝরেছে। গ্যাংটকের এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৮ ডিগ্রি। সিকিমের আবহাওয়া আধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, সাম্প্রতিক অতীতে জুন মাসে গ্যাংটকে এত গরম পড়েনি। ১৯৭৯ সালের ২৪ জুন গ্যাংটকে ২৮.৪ ডিগ্রি ছুঁয়েছিল পারদ। সেই অর্থে ৪৬ বছর পর এবার ফের রেকর্ড হতে যাচ্ছে। দার্জিলিং আস্তাবল রোডে একটি হোটেলের মালিক জীবন নন্দী বলেন, গতবছর থেকেই চকবাজার চত্বরে বেশ কয়েকটি হোটেল ফ্যান লাগাতে শুরু করেছে। দোকানে পাখা ঘুরছে। পর্যটকরা দুপুরে দার্জিলিংয়ে ঘুরতে বেরিয়ে যেভাবে ঘেমেনেয়ে আসছেন, তাতে আমাদেরও ফ্যান লাগানো ছাড়া উপায় নেই। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ