Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়ার সুবাদে খোঁজ মিলল বেঁচে যাওয়া শিশুর পরিবারের

দু’বছরের ঋষি যাদব। বিলাসপুরের দেবরীখুর্দ থেকে মা-বাবা ও ঠাকুমার সঙ্গে টাটানগর এক্সপ্রেসে উঠেছিল সে। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় যে ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ঋষির বাবা-মা।

সোশ্যাল মিডিয়ার সুবাদে খোঁজ মিলল বেঁচে যাওয়া শিশুর পরিবারের
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিলাসপুর: দু’বছরের ঋষি যাদব। বিলাসপুরের দেবরীখুর্দ থেকে মা-বাবা ও ঠাকুমার সঙ্গে টাটানগর এক্সপ্রেসে উঠেছিল সে। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় যে ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ঋষির বাবা-মা। মঙ্গলবারের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বগির ভিতর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে প্রথমে তার বাবা-মা’কে চিহ্নিত করা যায়নি। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন গ্রুপে ওই শিশুর ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তার পরেই পরিবারের হদিশ মেলে। ঋষির বাবার নাম অর্জুন এবং মায়ের নাম শীলা। অর্জুনের এক বন্ধু সোনু জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঋষির ছবি দেখে তিনি ঋষির বেঁচে থাকার খবরটি অর্জুনের পরিবারকে জানান।

Advertisement

জানা গিয়েছে, জাঞ্জগীর-চাম্পায় চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন অর্জুনরা। ফেরার পথে দুর্ঘটনায় অর্জুন এবং তাঁর শাশুড়ির মাথায় আঘাত লাগে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁদের। যদিও শীলা কীভাবে মারা যান, তা জানা যায়নি। অর্জুনের ভাই অজয় বলেন, ‘আমার ভাইপো বাবা-মা দু’জনকেই হারাল। মায়ের শরীর খারাপ। তাই দাদা-বউদির মৃত্যুর খবর তাঁকে জানানো হয়নি।’ উল্লেখ্য, রেলের তরফে মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ, গুরুতর জখমদের জন্য ৫ লক্ষ এবং জখমদের ১ লক্ষ টাকা করে সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ