Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঠান্ডায় টেকা দায়, শীতবস্ত্রের দাবি ভূতনির বাঁধে থাকা পরিবারগুলির

গৌড়বঙ্গ জুড়ে তাপমাত্রা নামছে। ঠান্ডায় নাজেহাল অবস্থা ভূতনির কেশরপুর বাঁধে থাকা তিন শতাধিক পরিবারের। শীত থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে রাত কাটাতে হয় তাঁদের।

ঠান্ডায় টেকা দায়, শীতবস্ত্রের দাবি ভূতনির বাঁধে থাকা পরিবারগুলির
  • ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: গৌড়বঙ্গ জুড়ে তাপমাত্রা নামছে। ঠান্ডায় নাজেহাল অবস্থা ভূতনির কেশরপুর বাঁধে থাকা তিন শতাধিক পরিবারের। শীত থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে রাত কাটাতে হয় তাঁদের। বাংলার বাড়ির প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও জমির অভাবে তৈরি করতে পারছেন না। ফলে প্রশাসনের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

মানিকচক ব্লকের এই বাঁধে প্রায় চারমাস বাস করছে গঙ্গা ভাঙনে সর্বস্ব হারানো বসন্তটোলা, কালুটোনটোলা ও কেশরপুরের প্রায় তিন শতাধিক পরিবার। বারবার তাঁরা প্রশাসনের কাছে জমি এবং বাড়ির দাবি জানিয়ে আসছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রায় ৬৯ জনকে বাড়ির প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হলেও জায়গা না থাকায় নির্মাণ করতে পারছেন না। 
এমন পরিস্থিতিতে ভূতনিতে গঙ্গা নদীর ধারে একেবারে বাঁধের উপর বসবাস করায় সরাসরি কনকনে বাতাসে নাজেহাল অবস্থা বাসিন্দাদের। দিনে রোদ এবং সন্ধ্যা হলে বাড়ির উঠোনে আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে হয় তাঁদের। স্থানীয় বাসিন্দা বীরবল মাহাতো বলেন, গঙ্গা ভাঙনের ফলে বাড়ি ছাড়ার সময় বেশিরভাগ মানুষ শীতবস্ত্র ফেলে এসেছেন। তাই রাতে আগুন না জ্বালালে থাকা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্থায়ী বাসস্থান না হওয়া পর্যন্ত যাতে শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করা হয়, তার জন্য ব্লক প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছি। 
মালদহ জেলা পরিষদের সদস্য তথা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জয়শ্রী মণ্ডল বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁধে থাকা পরিবারগুলিকে শীতবস্ত্র দেওয়ার জন্য তালিকা করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁদের হাতে সেগুলি তুলে দেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ