Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ফালাকাটা পুরসভার বিরুদ্ধে পুকুর খনন এবং সংস্কারের নামে মাটি তুলে পাচারের অভিযোগ

সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে পুকুর খনন ও সংস্কারের নাম করে অবৈধভাবে মাটি পাচারের অভিযোগ ফালাকাটায়।

ফালাকাটা পুরসভার বিরুদ্ধে পুকুর খনন এবং সংস্কারের নামে মাটি তুলে পাচারের অভিযোগ
  • ২১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ফালাকাটা: সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে পুকুর খনন ও সংস্কারের নাম করে অবৈধভাবে মাটি পাচারের অভিযোগ ফালাকাটায়। রবিবার স্থানীয় বাসিন্দারা ফালাকাটা পুরসভার বিরুদ্ধেই এই অভিযোগে সরব হয়েছেন।  ক্ষিপ্ত বাসিন্দারা পুরসভার বোর্ড লাগানো মাটি বোঝাই ১০টি ট্রলি আটক করেন। পরে স্থানীয় কাউন্সিলার, চেয়ারম্যান এবং ঠিকাদার সংস্থাকে খবর দেন। কিন্তু, কেউ তাতে সাড়া না দেওয়ায় ট্রলি দিনভর আটকে রাখেন স্থানীয়রা। পরে সন্ধ্যা নাগাদ সেই মাটি স্থানীয়দের কথা মত পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। যদিও বিষটি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে একে অপরের উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে পুসভা কর্তৃপক্ষ। পুরসভার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় শহরজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisement

পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কলেজ ডাঙায় সরকারি প্রকল্পের পুকুর খনন ও সংস্কার হচ্ছে কয়েকদিন ধরে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, পুকুর খননের সেই মাটি পুকুরপাড় সংস্কারে না লাগিয়ে অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এবং ৩নম্বর ওয়ার্ডে নির্মিয়মান এসডব্লুএম প্রকল্পের জায়গা ভরাট করা হচ্ছে। অভিযোগ, এর জন্য পুরসভা ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ভূমিরাজস্ব দপ্তর থেকে অনুমতি পর্যন্ত নেয়নি। 
এদিন বিক্ষোভরত স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে কলেজ ডাঙায় পুকুর খনন করা হচ্ছে। তার সেই পুকুর থেকে ওয়ার্ডে প্রায় ৫০০মিটার দূরে অবস্থিত হরেকৃষ্ণ নগর প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতি বর্ষায় সেই বিদ্যালয়ের মাঠে জল জমে থাকে। তাই পুরসভাকে সেই মাঠ ভরাট করে উঁচু করার আবেদন জানানো হয়। পরবর্তীতে এই ওয়ার্ড থেকে মাটি তুলে অন্য ওয়ার্ডে নিয়ে গিয়ে ভরাট করার পাশাপাশি চুপি সাড়ে কয়েক ট্রলি বিক্রি করা হয়। এদিন বিষয়টি জানতে পেয়ে পুরসভার বোর্ড লাগানো অবৈধ মাটি বোঝাই ট্রলি গুলি আটক করি। পরে কাউন্সিলার, চেয়ারম্যানকে খবর দেই। তারা আসবেন বলে সারাদিন কাটিয়ে দেন। কিন্তু এমুখো হননি। তাই সেই মাটি পুনরায় একই জায়গায় ফেলতে বলা হয়। তাঁরা হুঁশিয়ারি দেন, যদি এলাকার স্কুলের মাঠ ভরাট না করে অন্যত্র মাটি নিয়ে যাওয়ায় হয়, তবে এলাকার সিসিক্যামেরা ফুটেজ দেখে অবৈধ মাটি কারবার রুখে পুরসভার বিরুদ্ধে আইনের দ্বারস্থ হবেন। 
এবিষয়ে একাধিকবার চেয়ারম্যান প্রদীপ মুহুরীকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ওয়ার্ড কাউন্সিলার ভগীরত মণ্ডল বলেন, আমি কিছু জানি না। বোর্ড মিটিংয়ে এমন কোনও আলোচনা হয়নি। 
 পুরসভার বোর্ড লাগানো এই ট্রাক্টর ট্রলি আটক করা হয়। -  নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ