Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আমন্ত্রণে ত্রুটি! ‘খেলা হবে’ দিবসের ম্যাচ বয়কট পুরসভার কাউন্সিলরদের

খেলা হবে দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত পুরুলিয়া জেলা পরিষদ বনাম পুরুলিয়া পুরসভার ম্যাচ বয়কট করলেন কাউন্সিলাররা। এনিয়ে পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন্দল দেখা দেয়।

আমন্ত্রণে ত্রুটি! ‘খেলা হবে’ দিবসের ম্যাচ বয়কট পুরসভার কাউন্সিলরদের
  • ১৮ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: খেলা হবে দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত পুরুলিয়া জেলা পরিষদ বনাম পুরুলিয়া পুরসভার ম্যাচ বয়কট করলেন কাউন্সিলাররা। এনিয়ে পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে কোন্দল দেখা দেয়। চেয়ারম্যান বাদ দিয়ে পুরসভার একজন কাউন্সিলারও শনিবারের ম্যাচে উপস্থিত হননি। চেয়ারম্যানের উপর ক্ষোভ উগরে দিয়ে কাউন্সিলারদের একাংশের বক্তব্য, ম্যাচ সম্পর্কে পুরসভার প্রতিনিধিদের নিয়ম মেনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। সেই কারণেই তাঁরা ম্যাচ বয়কট করেছেন। 

Advertisement

শনিবার জেলা যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে পালিত হয় ‘খেলা হবে’ দিবস। ওইদিন দপ্তরের উদ্যোগে জেলা পরিষদের সঙ্গে পুরুলিয়া পুরসভার একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয় এমএস ময়দানে। অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রী সন্ধ্যা রানি টুডু, জেলা পরিষদের সভাধিপতি নিবেদিতা মাহাত, বিধায়ক সুশান্ত মাহাত সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যেকেই নিজেদের টিমের সদস্যদের সমর্থন জুগিয়েছেন। পুরসভার তরফেও একটি ফুটবল টিম গঠন করা হয়েছিল। তবে মাঠে নেমে খেলা তো দূর, পুরসভার একজন কাউন্সিলারও উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহিত পর্যন্ত করতে আসেননি। 
কেন অনুষ্ঠান বয়কট করলেন? পুরসভার কাউন্সিলার বিভাসরঞ্জন দাস বলেন, যুবদপ্তরের তরফে শুধুমাত্র চেয়ারম্যানকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আমন্ত্রণপত্রে সকল কাউন্সিলারদের অবগত করার জন্য চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছিল। আমাদের মনে হয়েছে, এই আমন্ত্রণপত্রে সৌজন্যের লেশমাত্র নেই। কাউন্সিলার সুনয় কবিরাজ বলেন, চেয়ারম্যান আমাদের বিষয়টি অবগত করেছিলেন মাত্র। তিনিও এনিয়ে আমাদের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনা করেননি। যুবদপ্তর যদি মনে করে শুধুমাত্র চেয়ারম্যানকেই জানালে হবে, তাহলে তাই হোক। 
এক ধাপ এগিয়ে শহর তৃণমূলের সভাপতি তথা কাউন্সিলার প্রদীপ ডাগা বলেন, যুবদপ্তরের ওই আমন্ত্রণপত্রটি কাউন্সিলারদের অপমানজনক বলে মনে হয়েছে। চেয়ারম্যানের বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা উচিত ছিল। যুবদপ্তরের এক পদস্থ কর্তা বলেন, কাউকে অপমান করা হয়নি। যথেষ্ট সৌজন্য বজায় রেখেই ওই চিঠি আমরা চেয়ারম্যানকে পাঠিয়েছিলাম। একই দাবি চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালির। তিনি বলেন, ওই আমন্ত্রণপত্রে কাউকে অপমান করা হয়েছে বলে আমার তো মনে হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি। কাউন্সিলররাও শাসক দলেরই। ফলে তাঁরা যোগদান করে পুরসভার টিমকে সমর্থন করলে তাঁদের সম্মান কিছু কমে যেত না। চেয়ারম্যানের তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, খেলতে গেলে মাঠে নামতে হবে। বল কেড়ে নিয়ে গোল করতে হবে। কিন্তু, অনেকে মাঠে নেমে খেলতেই জানে না। বাইরে থেকে শুধুই বিরোধিতা করে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ