সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শুক্রবার এনজেপির রাজাহোলিতে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে মারার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার মাঝরাতে মহম্মদ সামসাদ নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিস। ধৃত যুবক রাজাহোলির বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। যদিও ঘটনায় বাকি অভিযুক্তরা এখনও ধরা পড়েনি। এনিয়ে শনিবার মৃতের পরিবার ও এলাকার বাসিন্দাদের একটি অংশ এনজেপি থানায় স্মারকলিপি দিয়ে বাকি অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানায়।
Advertisement
এদিকে মৃতের পরিবার এই হত্যার পিছনে তোলাবাজির অভিযোগ করলেও পুলিস তা খারিজ করে দিয়েছে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, রাজাহোলির খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত ঠিক পথেই চলছে। এখনও পর্যন্ত যে তথ্য হাতে এসেছে তাতে জানা গিয়েছে, তাস খেলাকে কেন্দ্র করে বিবাদ থেকে হাতাহাতি হয় উভয়পক্ষের। তার জেরেই মারপিটে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। এদিন শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেব বলেন, শুনেছি মৃত বৃদ্ধ ও অভিযুক্তদের মধ্যে আত্মীয়তা রয়েছে। পুরনো কোনও বিবাদ থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিস কমিশনারকে গোটা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকা থমথমে। চাপা উত্তেজনা রয়েছে। নতুন করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য এলাকায় পুলিস পিকেট বসানো রয়েছে। আজ, রবিবার ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।
তবে গোটা ঘটনায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্য পুলিসের ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন এলাকার বাসিন্দারা। খুনের ঘটনায় অভিযুক্তরা শাসকদলের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এলাকার বাসিন্দা আব্দুল সাত্তার বলেন, বহুদিন ধরে এলাকায় তোলাবাজি ও দাদাগিরি চলছে। প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাদের জানিয়ে কোনও লাভ হয়নি। পাড়ায় গুন্ডারাজ চলছে। টাকার জন্য শুক্রবার আমার জামাইবাবুকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। আইএনটিটিইউসি-র এনজেপি শাখার সভাপতি সুজয় কর বলেন, এই ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। অভিযুক্তদের মধ্যে কে বা কারা আমাদের দলের সঙ্গে আছে তা জানা নেই। গোটা বিষয়টি শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাজাহোলিতে টাকা আদায়ের জন্য জুলুমবাজির অভিযোগ ওঠে। মহম্মদ জোহুরি (৫৮) নামে এক বৃদ্ধের কাছে টাকার দাবি করে একদল যুবক। মহম্মদ জোহুরি দাবি মতো টাকা না দেওয়ায় ওই যুবকদের সঙ্গে বচসা বাধে। তারপর ওই বৃদ্ধকে নির্মমভাবে লাঠি, রড দিয়ে মারা হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় মহম্মদ জোহুরিকে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তারপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজাহোলি।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকা থমথমে। চাপা উত্তেজনা রয়েছে। নতুন করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য এলাকায় পুলিস পিকেট বসানো রয়েছে। আজ, রবিবার ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে।
তবে গোটা ঘটনায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলার অবনতির জন্য পুলিসের ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন এলাকার বাসিন্দারা। খুনের ঘটনায় অভিযুক্তরা শাসকদলের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। এলাকার বাসিন্দা আব্দুল সাত্তার বলেন, বহুদিন ধরে এলাকায় তোলাবাজি ও দাদাগিরি চলছে। প্রশাসন ও স্থানীয় নেতাদের জানিয়ে কোনও লাভ হয়নি। পাড়ায় গুন্ডারাজ চলছে। টাকার জন্য শুক্রবার আমার জামাইবাবুকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। আইএনটিটিইউসি-র এনজেপি শাখার সভাপতি সুজয় কর বলেন, এই ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। অভিযুক্তদের মধ্যে কে বা কারা আমাদের দলের সঙ্গে আছে তা জানা নেই। গোটা বিষয়টি শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাজাহোলিতে টাকা আদায়ের জন্য জুলুমবাজির অভিযোগ ওঠে। মহম্মদ জোহুরি (৫৮) নামে এক বৃদ্ধের কাছে টাকার দাবি করে একদল যুবক। মহম্মদ জোহুরি দাবি মতো টাকা না দেওয়ায় ওই যুবকদের সঙ্গে বচসা বাধে। তারপর ওই বৃদ্ধকে নির্মমভাবে লাঠি, রড দিয়ে মারা হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় মহম্মদ জোহুরিকে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তারপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজাহোলি।



