Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ইংলিশবাজার: সকাল-সন্ধ্যা তীব্র যানজটে ভোগান্তি সুকান্ত মোড় থেকে রথবাড়ির রাস্তায়

অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে পুরনো জাতীয় সড়কের একাংশ। পুলিস বারবার সরিয়ে দিলেও সার্ভিস লেনের উপরেই বিক্রি হচ্ছে ফল, সব্জি। সকাল-সন্ধ্যা তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে সুকান্ত মোড় থেকে রথবাড়ি মোড়ের মধ্যবর্তী রাস্তায়। এর জেরে নাকাল শহরবাসী।

ইংলিশবাজার: সকাল-সন্ধ্যা তীব্র যানজটে ভোগান্তি সুকান্ত মোড় থেকে রথবাড়ির রাস্তায়
  • ১৮ জুন, ২০২৫ ১৬:০৬
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে পুরনো জাতীয় সড়কের একাংশ। পুলিস বারবার সরিয়ে দিলেও সার্ভিস লেনের উপরেই বিক্রি হচ্ছে ফল, সব্জি। সকাল-সন্ধ্যা তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে সুকান্ত মোড় থেকে রথবাড়ি মোড়ের মধ্যবর্তী রাস্তায়। এর জেরে নাকাল শহরবাসী। এই রাস্তায় ছোট গাড়ি তো দূরের কথা, সাইকেল, স্কুটার বা বাইক নিয়ে চলাচল করাও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার এনিয়ে সরব হলেন স্বয়ং তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলার। 

Advertisement

ইংলিশবাজার পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে সুকান্ত মোড় থেকে রথবাড়ি মোড়ের মধ্যবর্তী রাস্তার যানজট সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার নিবেদিতা কুণ্ডু। তিনি বলেন, শহরের ব্যস্ততম মোড়গুলির মধ্যে রথবাড়ি মোড় ১৩টি রাস্তার সংযোগস্থল। এখানে অনিয়ন্ত্রিত ট্রাফিক ব্যবস্থার জন্য সাধারণ মানুষ প্রতিদিন অসহনীয় যানজটের শিকার হচ্ছেন। এখান থেকে ১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে রথবাড়ি ফাঁড়ি ও ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম আছে। তা সত্ত্বেও সুকান্ত মোড় থেকে রথবাড়ি মোড় পর্যন্ত পুরনো জাতীয় সড়কের প্রথম লেন অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে। এর জেরে যাতায়াতে চরম সমস্যা তৈরি হচ্ছে।বোর্ড মিটিংয়ে তিনি শহরের যানজট ও অবৈধ দখল সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে সাধারণ মানুষকে দৈনন্দিন যন্ত্রণা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব রাখেন। পুর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। বিষয়টি সদ্য প্রকাশিত পুরসভার রেজ্যুলেশনও তুলে ধরা হয়। 
মালদহ মার্চেন্টস চেম্বার অফ কমার্সের সাধারণ সম্পাদক উত্তম বসাক বলেন, এই রাস্তার যানজট সমস্যা নিয়ে আমরা বেশ কয়েকবার জেলা প্রাশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। পাশেই নেতাজি কমার্শিয়াল এবং নেতাজি পুর মার্কেট আছে। সেখানকার কিছু ব্যবসায়ী রাস্তায় এসে ফল, সব্জি বিক্রি করছেন। তাঁদের বাজারের ভিতরে নিয়ে গেলে এই সমস্যা মিটে যাবে। কিছুদিন আগেই পুরসভা ও পুলিস প্রশাসনের উদ্যোগে এই রাস্তা থেকে ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁদের রাস্তার ধারে থাকা নিকাশিনালার ওপারে বসানো হয়। কিন্তু দু’একদিন ঠিক থাকার পরই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে ফের আগের জায়গায় চলে আসে। ফল, ফুল, সব্জি বিক্রেতারা আবার রাস্তায় উঠে এসে ব্যবসা করতে শুরু করেছেন। ফলে মাঝে কিছুটা যানজট থেকে মুক্তি পাওয়া গেলেও আগের ভোগান্তি ফিরে এসেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ