Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হিলকার্ট রোডের সোনার দোকানে ডাকাতিতে অধরা দুষ্কৃতীরা ব্যবহার করছে না মোবাইলও!

সোনার দোকানে দিনে-দুপুরে ডাকাতির ঘটনায় যুক্ত থাকা বাকি দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালানো হলেও, এখনও তাদের নাগাল পায়নি পুলিস।

হিলকার্ট রোডের সোনার দোকানে ডাকাতিতে অধরা দুষ্কৃতীরা ব্যবহার করছে না মোবাইলও!
  • ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: সোনার দোকানে দিনে-দুপুরে ডাকাতির ঘটনায় যুক্ত থাকা বাকি দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালানো হলেও, এখনও তাদের নাগাল পায়নি পুলিস। ধৃত সাতজন দুষ্কৃতীকে একাধিকবার জেরা করার পরেও যে সকল গোপন ডেরার তথ্য তদন্তকারী অফিসাররা পেয়েছেন সেখানে গিয়েও খুব একটা সুবিধা করা যায়নি। এমনকী লুট হওয়ার স্বর্ণালঙ্কার এখনও পর্যন্ত উদ্ধার করতে পারেনি শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিস। 

Advertisement

এদিকে, তদন্তকারী অফিসারদের একাংশের দাবি, গা ঢাকা দিয়ে থাকা দুষ্কৃতীরা কোনও ধরনের ইলেকট্রনিক গেজেট ব্যবহার করছে না। মোবাইলের মাধ্যমে পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করার কোনও চেষ্টাও তারা করছে না। যার ফলে ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ পেতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পুলিসকে। 
যদিও ধৃতদের জেরা করার পর বিহার, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে দুষ্কৃতীদের গোপন ডেরাতে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়েছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিস। তদন্তকারীদের দাবি, সরাসরি দোকানে ঢুকে অপারেশন চালানো দুষ্কৃতী দলের অন্ততপক্ষে তিনজনের হদিশ এখনও পর্যন্ত মেলেনি। তাদের গ্রেপ্তার করতে পারলে লুট হওয়া সামগ্রী উদ্ধার করা সম্ভব বলে মনে করছে পুলিস। 
এ প্রসঙ্গে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি রাকেশ সিং বলেন, জুয়েলারি দোকানে ডাকাতির ঘটনার তদন্ত চলছে। বিভিন্ন রাজ্যের একাধিক জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত ওই দলের কয়েকজন অধরা। আমরা আশাবাদী, আত্মগোপন করে থাকা দুষ্কৃতীরাও জালে উঠবে। লুট হওয়া সামগ্রী উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। 
উল্লেখ্য, গত ২২ জুন শিলিগুড়ি শহরের প্রাণকেন্দ্রের হিলকার্ট রোডে একটি জুয়েলারি দোকানে দুপুরে সাতজনের একটি দুষ্কৃতী দল ঢুকে অপারেশন চালায়। ১১ কোটি টাকার সোনা সহ একাধিক মূল্যবান ধাতু নিয়ে পালিয়ে যায় দলটি। ওই দলে দু’জন মহিলাও ছিল। ঘটনার পরপরই দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। পরবর্তীতে একজনকে বিহার, তিনজনকে উত্তরপ্রদেশ ও একজনকে উত্তর দিনাজপুর জেলা থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। তবে তাদের থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর পরিমাণ অত্যন্ত কম ছিল জানা গিয়েছিল। সরাসরি দোকানে ঢুকে যে সাতজন অভিযান চালিয়েছিল তাদের মধ্য থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা গিয়েছে। বাকিরা এখনও অধরা। খুব স্বাভাবিকভাবেই বাকিদের ধরার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে পুলিসের উপর চাপ রয়েছে। পুলিস অফিসারদের দাবি, লুট হওয়া সামগ্রী উদ্ধার করার পাশাপাশি বাকি দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করার জন্য বিশেষ দল গঠন করে তদন্ত প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ