নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: পুজোর সময় বিদ্যুৎ পরিষেবায় যাতে বিঘ্ন না ঘটে তারজন্য রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করল বিদ্যুৎদপ্তর। তাতে বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হবে। বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বিদ্যুৎদপ্তর জানিয়েছে, পুজোর আগে প্রতি বছর রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়। জেলার বাসিন্দারা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এবারও সকলেই সহযোগিতা করছেন। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় কাজ শুরু হয়েছে।
বিদ্যুৎদপ্তর জানিয়েছে, কাটোয়া রোড থেকে পাওয়ার হাউস ৩৩ কেভি এলাকায় ১০ এবং ৩১ আগস্ট সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত কাজ চলবে। ২৩আগস্ট নবাবহাট এলাকায় কাজ চলবে। ৫ সেপ্টেম্বর মাহাচাঁদা থেকে কাটোয়া রোড এলাকায় রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে। ২৩ আগস্ট এবং ৭সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত কাটোয়া রোড থেকে নবাবহাটে বিদ্যুৎ পরিষেবা পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে। রায়না থেকে সদরঘাট এলাকায় ৮, ২৯ আগস্ট এবং ১২ ও ১৯ সেপ্টেম্বর কাজ করা হবে। কাটোয়া রোড থেকে বেচারহাটে ২৮ আগস্ট ও ১১সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎদপ্তর কাজ করবে। ২১ আগস্ট ৬, ১৪ সেপ্টেম্বর বিসি রোড, মায়ের বাড়ি, কার্জনগেট, সর্বমঙ্গলাপাড়া, খোসবাগান, তেঁতুলতলা বাজার এবং বুড়িরবাগানে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হবে।
এছাড়া ১০, ৩১ আগস্ট এবং ৭ সেপ্টেম্বর হরিসভা, মিঠাপুকুর, সুভাষপল্লি, লক্ষ্মীপুর মাঠ এবং কলেজ মোড় এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হবে। ৩ এবং ১০ সেপ্টেম্বর কোর্ট চত্বর, গুডস শেড রোড এবং খালুইবিল মাঠ পাড়ায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হবে।
বিদ্যুৎ দপ্তর জানিয়েছে, ১২, ২১ আগস্ট এবং ১৫ সেপ্টেম্বর টিকরহাট, বোরহাট, আলমগঞ্জ এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা কয়েক ঘণ্টার জন্য ব্যাহত হবে। ১৩, ২০ আগস্ট এবং ২, ৯ সেপ্টেম্বর কাঞ্চননগর এলাকায় কাজ করবে বিদ্যুৎ দপ্তর। ৩১ আগস্ট এবং ১৩ সেপ্টেম্বর হলদি এলাকায় রক্ষাবেক্ষণের কাজ চলবে। ১৪, ২১, ৩১ আগস্ট ও ১১ সেপ্টেম্বর আলমগঞ্জে কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না। ১৪ ও ২১ আগস্ট বীরহাটার কয়েকটি এলাকায় রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হবে। ৩০ আগস্ট, ৪ ও ১৯ সেপ্টেম্বর উল্লাস মিনি টাউনশিপে সকাল সাড়ে ৯’টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকবে না।
১৩, ২৫ আগস্ট এবং ৭সেপ্টেম্বর কালীরবাজারে বিদ্যুৎ দপ্তর কাজ করবে। বিভিন্ন এলাকাতেই এভাবে ধাপে ধাপ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হবে। আধিকারিকদের দাবি, পুজোর সময় বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। তাছাড়া ওইসময় লোডশেডিং হলে সমস্যা হয়। সেকারণেই আগে থেকেই প্রস্ততি নেওয়া হয়। বিশেষ করে পুজোর দিনগুলিতে যাতে কোনও সমস্যা না হয় তারজন্য প্রতিটি এলাকাতেই রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়।