Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

লোলাবাগ শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি আড়াই মাস পর ফের চালু

আড়াই মাস পর পুরাতন মালদহ পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের লোলাবাগ শ্মশানের বিকল ইলেকট্রিক চুল্লি মেরামত হল।

লোলাবাগ শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি আড়াই মাস পর ফের চালু
  • ৮ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: আড়াই মাস পর পুরাতন মালদহ পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের লোলাবাগ শ্মশানের বিকল ইলেকট্রিক চুল্লি মেরামত হল। এখন থেকে শবযাত্রীরা ওই শ্মশানে মরদেহ নিয়ে এলে ফিরে যেতে হবে না। শনিবার থেকে ইলেকট্রিক চুল্লি চালু হয়েছে বলে পুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। বিকল চুল্লি সারাইয়ের বিষয়টি শহরবাসীরা জানেন না বলে ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, আড়াই মাস ইলেকট্রিক চুল্লি বন্ধ ছিল। সেজন্য কিছুদিন সময় লাগবে। লোকমুখে প্রচারিত হয়ে গেলে আগামী দিনে শবযাত্রীরা মরদেহ নিয়ে পুরসভার শ্মশানে আসবেন। পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ বলেন, শ্মশানের ইলেকট্রিক চুল্লি বিকল হয়ে গিয়েছিল। আমরা ঠিক করে দিয়েছি। শবযাত্রীরা মৃতদেহ ওই চুল্লিতে দাহ করতে পারবেন। পুরসভা এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের ১১ মার্চ লোলাবাগে ইলেকট্রিক চুল্লি চালু হয়। তারপর থেকে শহরের পাশাপাশি গাজোলের বাসিন্দা, মহিষবাথানির একাংশ শবযাত্রী মরদেহ নিয়ে এই শ্মশানে শেষকৃত্য করতে আসতেন। গত ১৯ মার্চ পুরসভা থেকে শ্মশানে নোটিস টাঙিয়ে দেওয়া হয়,  ইলেকট্রিক চুল্লি যান্ত্রিকভাবে বিকল। তারপর থেকে চুল্লিতে দাহ একেবারেই বন্ধ ছিল। অভিযোগ, গত আড়াই মাসে শবযাত্রীরা একাধিক মরদেহ শ্মশানে নিয়ে এসে হতাশ হয়ে ফিরে গিয়েছেন। কেউ কেউ আবার খড়ি দিয়ে শেষকৃত্য করেছেন। বিরোধী দল সহ বিভিন্ন মহল থেকে ইলেকট্রিক চুল্লি ঠিক করার জন্য পুরসভার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিজেপির বাসন্তী রায় বলেন, আমাদের ওয়ার্ডে শ্মশানটি রয়েছে। চুল্লি বন্ধ ছিল। এতে মানুষ বেশি অসুবিধা ভোগ করছিল। আমরা এনিয়ে পুরসভাকে বলেছিলাম। অবশেষে কাজ হয়েছে। একটি মেশিন ঠিক করতে প্রায় আড়াই মাস লেগে গেল। আগামী দিনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সুবিধা হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী রতন বিশ্বাস বলেন, আমরা খাবার তৈরির ব্যবসা করি। চুল্লি কয়েক মাস বন্ধ থাকায় ব্যবসায় মন্দা গিয়েছে। চুল্লি ঠিক হয়েছে জানালে আগের মতো শবযাত্রীরা আসবেন।  বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু হওয়ার পরেও শুনশান শ্মশান। - নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ