সংবাদদাতা, ইসলামপুর: দলের অনুমোদন ছাড়াই তৃণমূলের তিন ‘বিদ্রোহী’ কাউন্সিলার চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য বৈঠক ডাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে ডালখোলায়। বিষয়টি তৃণমূলের প্রেস্টিজ ইস্যু হলেও নেতৃত্ব এখনও বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয়নি।
সংবাদদাতা, ইসলামপুর: দলের অনুমোদন ছাড়াই তৃণমূলের তিন ‘বিদ্রোহী’ কাউন্সিলার চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য বৈঠক ডাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে ডালখোলায়। বিষয়টি তৃণমূলের প্রেস্টিজ ইস্যু হলেও নেতৃত্ব এখনও বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয়নি।
তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশে ডালখোলা পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে স্বদেশ সরকার ইস্তফা দেওয়ার পর নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে। হয়েছে নাটকীয় নানা পরিবর্তন। এখনও নতুন চেয়ারম্যান ঠিক করতে পারেনি দল। এবার নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সুজনা দাসকে নতুন চেয়ারপার্সন করার ঘোষণা করেছিল দল। কিন্তু দলেরই ১০ জন কাউন্সিলার সুজনাকে মানবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে এক মাস থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচন ঝুলে আছে।
নিয়ম অনুসারে, চেয়ারম্যানের ইস্তফার পরে ভাইস চেয়ারম্যান বিওসিতে তা গ্রহণ করে নতুন করে চেয়ারম্যান নির্বাচনের বৈঠক ডাকার কথা। কিন্তু দলের নির্দেশ না মেলায় নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান বৈঠক ডাকতে পারেননি। অবশ্য পুর পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ। কিন্তু চেয়ারম্যান নির্বাচন না হওয়াতে দলের মধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছিল।
১১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার গোপাল রায়, ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তনয় দে ও ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিবি তাবসুম খাতুন আগামী ১৭ ডিসেম্বর চেয়ারম্যান নির্বাচনের বৈঠক ডেকেছেন। কাউন্সিলারদের দাবি, নিয়ম অনুসারে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান বৈঠক না ডাকলে তিনজন কাউন্সিলার ডাকতে পারেন। বিদায়ী চেয়ারম্যান স্বদেশ সরকার বলেন, বৈঠকের চিঠি পেয়েছি। নির্দিষ্ট দিনে বৈঠকে উপস্থিত থাকব।
তিন কাউন্সিলারের ডাকা বৈঠক প্রসঙ্গে দলের উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, এব্যাপারে দলের অনুমোদন নেই। দলের অনুমোদন ছাড়াই তিন কাউন্সিলার বৈঠক ডেকেছে।
এক্ষেত্রে দল তিন কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেবে কি না জিজ্ঞেস করা হলে কানাইয়াবাবু কোনও মন্তব্য করেননি।
তবে তনয় দে’র দাবি, আমরা দলবিরোধী কোনও কাজ করিনি। তিনি বলেন, পুর আইন মেনেই বৈঠক ডাকা হয়েছে। ১৬ জন কাউন্সিলারকেই সেই চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা করছি, ১৭ তারিখে নতুন চেয়ারম্যন নির্বাচন হবে।