নয়াদিল্লি: ‘নির্বাচনী লড়াইয়ের কিছুটা হয় সুপ্রিম কোর্টেও’। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার বিরুদ্ধে ঘৃণাভাষণের মামলা গ্রহণ করে মন্তব্য দেশের প্রধান বিচারপতির। শীর্ষ আদালত মামলাটি গ্রহণ করছে বলেও জানিয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ।
চলতি বছরেই অসমে বিধানসভা ভোট। তার আগে কার্যত তেতে রয়েছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যটির রাজনীতি। এরই মধ্যে একের পর এক ঘৃণাভাষণের অভিযোগ উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ও তার দল বিজেপির বিরুদ্ধে। সম্প্রতি অসম বিজেপির পোস্ট করা একটি ভিডিয়ো ঘিরে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ভিডিয়োতে দেখা যায়, রাইফেল নিয়ে সংখ্যালঘুদের ছবিতে নিশানা করছেন হিমন্ত। ক্যাপশনে লেখা, ‘পয়েন্ট ব্ল্যাংক শট’। বিরোধীদের তুমুল আক্রমণে অবশ্য ভিডিয়োটি মুছে ফেলা হয়। হিমন্তের ঘৃষাভাষণ ও এই ভিডিয়োর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন সিপিআই ও সিপিএম নেতারা। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতে মামলাটির দ্রুত শুনানির আবেদন করা হয়। মামলা নিতে রাজি হয়েও প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘ভোট এগিয়ে এলেই, নির্বাচনী লড়াইয়ের কিছুটা হয় সুপ্রিম কোর্টে। সেটা একটা সমস্যা। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখব। শুনানির তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।’
অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা জিতেন্দ্র সিং, ভূপেশ বাঘেল ও গৌরব গগৈয়ের বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। গত সপ্তাহে কংগ্রেস নেতারা অভিযোগ করেছিলেন, অসমের বিভিন্ন প্রান্তে মুখ্যমন্ত্রী ও তার পরিবারের কাছে অবৈধ উপায়ে দখল করা প্রায় ১২ হাজার বিঘা জমি রয়েছে। সেই অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে মঙ্গলবার মানহানির মামলা দায়ের করলেন হিমন্ত।