নকুল আরিয়াল: বুধবার বিনিদ্র রাত কাটিয়েছে গোটা নেপাল! টিভির পরদায় বিপর্যয়ের দৃশ্য, আর মানুষের হাহাকার দেখে কেঁপে উঠছিল গোটা দেশ। আজ, বৃহস্পতিবার যেন ‘জাতীয় শোক’ পালন করছে নেপাল। বিদেশিদের সঙ্গে কয়েকশো নেপালের নাগরিকও নিখোঁজ। কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। উদ্বিগ্ন পরিবার-পরিজন! তিব্বতের ল্যাংটাং ভ্যালির সাংবু রি’র (রি মানে চীনা ভাষায় পর্বত) গ্লেসিয়ার উপচানো জল লেন্ডে রিভার বয়ে ‘হিমতাল’ (হ্রদ) ফাটিয়ে ভোটে কাশী আর ত্রিশূলী নদীকে মাধ্যম করে দেশের চারটে জেলাকে ধুয়েমুছে দিয়েছে। তার মধ্যে রাসুয়া সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। ছোটো-বড়ো ৩৫টি ব্রিজের চিহ্ন মাত্র নেই। দেশের মহাবিপর্যয়ে প্রতিবেশী ভারত যেভাবে এগিয়ে এসেছে, তাতে নেপাল কৃতজ্ঞ। এদিন সন্ধ্যায় নেপাল প্রহরীর (পুলিশ) তরফে ৩৩টি দেশের ৬৪৪ জন বিদেশি তীর্থযাত্রী-পর্যটকদের নামের তালিকা (যাঁদের মৃতদেহ মিলেছে) প্রকাশ করেছে। তার মধ্যে ১৭৮ জন ভারতীয় রয়েছেন। আছেন কলকাতার লোকজনও। এরই মধ্যে খবর এসেছে, বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত ত্রিশূলী-১ হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার স্টেশনে কর্মরত ৭০ জন ভারতীয় কর্মীর সঙ্গেও কোনোভাবে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। ভারতীয় দূতাবাস নেপালি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সারাক্ষণ যোগাযোগ করছে। পুলিশ যে তালিকা দিয়েছে, তাতে নেপালের ১২৭ জন রয়েছেন। তাঁদের একটা বড়ো অংশ চীন-নেপাল সীমান্তের ইমিগ্রেশন সেন্টারে নানা কাজে ছিলেন।



