সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বাংলায় এসআইআর আতঙ্কের বলি হলেন আরও একজন! যার ফলে ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুমিছিল। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জে এবার এক বৃদ্ধ আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ।
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: বাংলায় এসআইআর আতঙ্কের বলি হলেন আরও একজন! যার ফলে ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুমিছিল। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জে এবার এক বৃদ্ধ আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম ওসমান মণ্ডল (৬৫)। বাড়ি রামকৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়দেবপুরে। গতকাল রাতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এই ব্লকে।
পরিবারের অভিযোগ, ২০০২ সালে ওই ব্যক্তির ভোটার কার্ডে নাম ছিল ওসমান মণ্ডলের। কিন্তু ২০২৫ সালের ভোটার কার্ডে কোনওভাবে তাঁর নাম ছাপানো ছিল ‘ওসমান মোল্লা’। নামের এই ভুলের কারণে তিনি সমস্যায় পড়েন। বিষয়টির সমাধান চেয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েত মেম্বার সহ নানা জায়গায় গিয়েছিলেন। সবাই আশ্বাস দিলেও তাঁর আতঙ্ক কিছুতেই কাটছিল না বলে অভিযোগ পরিবারের। এই পরিস্থিতিতে গতকাল রাতে আত্মহত্যা করেন ওসমান।
মৃতের দিদি মোহসেনা বিবি বলেন, ‘এনআরসি নিয়ে হইচই শুরু হওয়ার পর থেকেই আমার ভাই আতঙ্কে ছিল। ওর ভোটার কার্ডে নাম নিয়ে সমস্যা ছিল। সেটি সংশোধনের জন্য এখানে ওখানে যেতো। এসআইআর নিয়ে ভয়ে ভয়ে থাকত।’
মঙ্গলবার সকালে খবর পেয়ে মৃতের বাড়িতে যায় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এ বিষয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি আনিসুর রহমান সরকার বলেন, ‘এই ঘটনার জন্য সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় সরকার দায়ী।’ পালটা বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকারের বক্তব্য, ‘সেখানেই মৃত্যু হচ্ছে, সেখানেই এসআইআর জুজু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল। ওরা মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে।’