নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: বহু পদ শূন্য। বীরভূম জেলা গ্রন্থাগারের দায়িত্ব একা কাঁধে সামলে চলেছেন গ্রন্থাগারিক মৌসুমি চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু প্রায় সাতমাস পরই তিনি অবসর নেবেন। তখন জেলা গ্রন্থাগারে নিরাপত্তারক্ষী বাদে সব পদই ফাঁকা হয়ে যাবে। ফলে গ্রন্থাগারটি অভিভাবকহীন হয়ে পড়তে পারে। সমস্যা মেটাতে তাড়াতাড়ি নিয়োগের দাবি উঠেছে।
Advertisement
১৯৫৫ সালে বীরভূম জেলার সিউড়িতে ওই গ্রন্থাগারের পথচলা শুরু হয়। শুরুতে সবই ঠিক ছিল। ক্রমশ বই ও পাঠকের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কিন্তু অভিযোগ, একসময় কর্মীর সংখ্যা কমতে থাকে। মৌসুমিদেবী ২০১৬ সালের মার্চ মাসে এই গ্রন্থাগারে যোগ দেন। সেসময় অ্যাসিস্ট্যান্ট ও অ্যাটেন্ড্যান্ট ছিল। এরপর একে একে কর্মীরা অবসর নিতে শুরু করেন। ২০১৭ সালে একজন অ্যাটেন্ড্যান্ট অবসর নেন। ২০২০ সালে অ্যাসিস্ট্যান্ট অবসর নেন। ২০২১ সালে অপর অ্যাটেন্ড্যান্টের পোস্টও ফাঁকা হয়ে যায়। মাঝে প্রায় একবছরের জন্য একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কাজে যোগ দিয়েছিলেন। তারপর থেকে ওই গ্রন্থাগারের সমস্ত কাজ গ্রন্থাগারিককেই করতে হয়। মাঝেমধ্যে সহযোগিতা করেন নিরাপত্তারক্ষী। সেইসঙ্গে দুই পড়ুয়া অবসর সময়ে বিনা পারিশ্রমিকে গ্রন্থাগারিককে সাহায্য করেন।
সিউড়ির বড়বাগানের বাসিন্দা গোপাল চৌধুরী বলেন, চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। তার ফাঁকে কিছু সময় গ্রন্থাগারে কাজ করি। আমার বন্ধুও ফাঁকা সময়ে বিনা পারিশ্রমিকেই কাজ করে।
সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ওই গ্রন্থাগারে ১০জন কর্মী থাকা প্রয়োজন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীকে নিয়ে সেই সংখ্যা মাত্র দুই। এবছর জুলাই মাসে সেই সংখ্যা এক হবে। তখন কীভাবে গ্রন্থাগারের কাজ চলবে, চিন্তায় মৌসুমীদেবী। তিনি বলেন, লোকবল কম থাকায় একা হাতে সব কাজ সামলাতে হচ্ছে। দু’জন পড়ুয়া ও নিরাপত্তারক্ষী মাঝেমধ্যে সাহায্য করেন। তাতে কিছুটা সুরাহা হয়। তবে আমার অবসরের সময়ও তো হয়ে এসেছে।
কর্মীসঙ্কট সত্ত্বেও এই গ্রন্থাগারে পাঠকের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ‘বই ধরো বই পড়ো’ প্রকল্পের জেরে শিশু পাঠকদের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। বর্তমানে খুদে পাঠকের সংখ্যা ৪৩৭। বয়স্ক ও সাধারণ পাঠকের সংখ্যা ১৭৮ ও ১১১১। চাকরিপ্রার্থী পাঠকের সংখ্যাও খুব একটা কম নয়। তাড়াতাড়ি গ্রন্থাগারে কর্মী নিয়োগ হোক-সেটাই চাইছেন পাঠকরা।
সিউড়ির বড়বাগানের বাসিন্দা গোপাল চৌধুরী বলেন, চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছি। তার ফাঁকে কিছু সময় গ্রন্থাগারে কাজ করি। আমার বন্ধুও ফাঁকা সময়ে বিনা পারিশ্রমিকেই কাজ করে।
সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ওই গ্রন্থাগারে ১০জন কর্মী থাকা প্রয়োজন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীকে নিয়ে সেই সংখ্যা মাত্র দুই। এবছর জুলাই মাসে সেই সংখ্যা এক হবে। তখন কীভাবে গ্রন্থাগারের কাজ চলবে, চিন্তায় মৌসুমীদেবী। তিনি বলেন, লোকবল কম থাকায় একা হাতে সব কাজ সামলাতে হচ্ছে। দু’জন পড়ুয়া ও নিরাপত্তারক্ষী মাঝেমধ্যে সাহায্য করেন। তাতে কিছুটা সুরাহা হয়। তবে আমার অবসরের সময়ও তো হয়ে এসেছে।
কর্মীসঙ্কট সত্ত্বেও এই গ্রন্থাগারে পাঠকের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। ‘বই ধরো বই পড়ো’ প্রকল্পের জেরে শিশু পাঠকদের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে। বর্তমানে খুদে পাঠকের সংখ্যা ৪৩৭। বয়স্ক ও সাধারণ পাঠকের সংখ্যা ১৭৮ ও ১১১১। চাকরিপ্রার্থী পাঠকের সংখ্যাও খুব একটা কম নয়। তাড়াতাড়ি গ্রন্থাগারে কর্মী নিয়োগ হোক-সেটাই চাইছেন পাঠকরা।



