সংবাদদাতা, চাঁচল: ভয় দেখিয়ে ও ভুল বুঝিয়ে সরকারি হাসপাতাল থেকে নার্সিংহোমে গর্ভবতীদের নিয়ে গিয়ে সিজার করানো হয়। এই অভিযোগ সহ চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের পরিকাঠামোর উন্নতির একাধিক দাবিতে সুপারের দ্বারস্থ হলেন এলাকার ছাত্ররা। সাত দফা দাবিপত্র ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানোর কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
গ্রামীণ এলাকায় চিকিৎসার জন্য ২০১৪ সালে চাঁচলে সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চালু করে রাজ্য সরকার। রতুয়া ও হরিশ্চন্দ্রপুর সহ চাঁচল মহকুমার ছ’টি ব্লকের লক্ষাধিক পরিবারের চিকিৎসার ভরসা এই হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে শতাধিক রোগী এখানে চিকিৎসকা পরিষেবা নিয়ে থাকেন। তবে হাসপাতালের দশ বছর হলেও উন্নত পরিকাঠামো এখনও গড়ে ওঠেনি বলে দাবি। আল্ট্রাসোনোগ্রাফি চালু হলেও শুধুমাত্র সপ্তাহের সোম ও মঙ্গলবার খোলা থাকে। তার জন্য একজন এমডি রেডিওলজিস্ট রয়েছেন।
এই দুই দিনে প্রসূতি ও অন্যান্য রোগীদের ভিড় উপচে পড়ে। অনেক গরিব মানুষ সেখানে পরিষেবা না পেয়ে বাইরে আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করাতে বাধ্য হন। ছাত্র নাসিমুল হকের কথায়, এখানে এখনও পর্যন্ত সিটি স্ক্যান ও এমআরআই চালু হয়নি। এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ যাতে নিখরচায় পরিষেবা পান, সেই দাবি জানিয়েছি।
আরেক ছাত্র বাবু সরকারের অভিযোগ, হাসপাতালে প্রসবের জন্য সিজারের ব্যবস্থা রয়েছে। অনেক সময় চিকিৎসাধীন গর্ভবতীদের ভয় ও ভুল বুঝিয়ে নার্সিংহোমে নিয়ে গিয়ে সিজার করানো হয়। এতে এলাকার গরিবদের বাড়তি খরচ হচ্ছে। গাইনো বিভাগে যাতে মায়েরা ঠিকমতো পরিষেবা পান, সেই দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিশাল এই হাসপাতালে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে মাত্র চারশয্যার ওয়ার্ড রয়েছে। ২৪ শয্যার ওয়ার্ডের পরিকাঠামো থাকলেও চালু করা হচ্ছে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ওয়ার্ডের জন্য যে নার্সরা কাজ করবেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ চলছে। সেই পর্ব শেষ হলেই চালু হবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের জন্য ৫২ জন চিকিৎসক ও প্রায় ১২৫ জন নার্স থাকেন। তার মধ্যে পাঁচজন গাইনো চিকিৎসক রয়েছেন। হাসপাতালের সুপার সুমিত তালুকদারের দাবি, প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচজনের বেশি গর্ভবতীর অস্ত্রোপচার হয় হাসপাতালে। নার্সিংহোমে ভয় দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো অভিযোগ পাইনি। অন্যান্য দাবিগুলি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
এই দুই দিনে প্রসূতি ও অন্যান্য রোগীদের ভিড় উপচে পড়ে। অনেক গরিব মানুষ সেখানে পরিষেবা না পেয়ে বাইরে আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করাতে বাধ্য হন। ছাত্র নাসিমুল হকের কথায়, এখানে এখনও পর্যন্ত সিটি স্ক্যান ও এমআরআই চালু হয়নি। এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ যাতে নিখরচায় পরিষেবা পান, সেই দাবি জানিয়েছি।
আরেক ছাত্র বাবু সরকারের অভিযোগ, হাসপাতালে প্রসবের জন্য সিজারের ব্যবস্থা রয়েছে। অনেক সময় চিকিৎসাধীন গর্ভবতীদের ভয় ও ভুল বুঝিয়ে নার্সিংহোমে নিয়ে গিয়ে সিজার করানো হয়। এতে এলাকার গরিবদের বাড়তি খরচ হচ্ছে। গাইনো বিভাগে যাতে মায়েরা ঠিকমতো পরিষেবা পান, সেই দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিশাল এই হাসপাতালে ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে মাত্র চারশয্যার ওয়ার্ড রয়েছে। ২৪ শয্যার ওয়ার্ডের পরিকাঠামো থাকলেও চালু করা হচ্ছে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ওয়ার্ডের জন্য যে নার্সরা কাজ করবেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ চলছে। সেই পর্ব শেষ হলেই চালু হবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের জন্য ৫২ জন চিকিৎসক ও প্রায় ১২৫ জন নার্স থাকেন। তার মধ্যে পাঁচজন গাইনো চিকিৎসক রয়েছেন। হাসপাতালের সুপার সুমিত তালুকদারের দাবি, প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচজনের বেশি গর্ভবতীর অস্ত্রোপচার হয় হাসপাতালে। নার্সিংহোমে ভয় দেখিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো অভিযোগ পাইনি। অন্যান্য দাবিগুলি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।



