Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাড়িতে বিএলও, ধূপগুড়িতে এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু বছর আশির বৃদ্ধের

একথা মানতে নারাজ বিজেপি। তাদের বক্তব্য, বছর আশির লালুরাম বর্মন বহুদিন থেকে রোগে ভুগছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এসআইআরের কোনও যোগ নেই।

বাড়িতে বিএলও, ধূপগুড়িতে এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু বছর আশির বৃদ্ধের
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১০:১১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি : এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যে ফের মৃত্যু! বিএলও বাড়িতে থাকা অবস্থায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলো ৮০ বছরের এক বৃদ্ধের। ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়ির বারোঘরিয়া অঞ্চলের বর্মনপাড়ার ১৭০ নম্বর বুথে। মৃতের নাম লালুরাম বর্মন (৮০)। জানা গিয়েছে, ভোটার তালিকায় নাম ছিল না বহুবছর আগে বাংলাদেশ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে আসা লালুরামের। এর মধ্যে এসআইআর চালু হওয়ায় চূড়ান্ত আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন তিনি। যার জেরে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

Advertisement

যদিও একথা মানতে নারাজ বিজেপি। তাদের বক্তব্য, বছর আশির লালুরাম বর্মন বহুদিন থেকে রোগে ভুগছিলেন। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এসআইআরের কোনও যোগ নেই। এই প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য ঈশ্বরচন্দ্র রায় বলেন,‘ কাকতালীয়ভাবে বিএলও যখন ওই বাড়িতে ছিলেন, তখনই মৃত্যু হয় নামে লালুরাম বর্মনের। এর সঙ্গে এসআইআরের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বহুদিন আগে থেকেই অসুস্থ ছিলেন।’ যদিও মৃত বৃদ্ধের পরিবারের সদস্যদের কথায় ধরা পড়েছে আতঙ্কের বিষয়টিই। তাঁদের বক্তব্য, লালুরাম বহুবছর আগে বাংলাদেশ থেকে এসেছিলেন। আধার কার্ড ছিল। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারেননি। অসুস্থ থাকলেও এসআইআর নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকতেন। গতকাল বিকেলে বাড়িতে বিএলও এসেছে শুনে হৃদরোগে আক্রান্ত হন।

এসআইআর আতঙ্কেই মৃত্যু হয়েছে লালুরাম বর্মনের। এমনটাই দাবি তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক তথা ধূপগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সহকারী সভাপতি দীপু রায়ের। তাঁর দাবি, ‘এসআইআর নিয়ে গোটা রাজ্যের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দানা বেঁধেছে। ওই ব্যক্তি ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ থেকে এসেছিলেন। ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল না।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ