Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হরিশ্চন্দ্রপুরে পড়ুয়াদের ইউনিফর্ম নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষের

সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের পোশাক নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ। নিম্নমানের পোশাক থেকে শুরু করে সেলাইয়ের জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কম মজুরি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

হরিশ্চন্দ্রপুরে পড়ুয়াদের ইউনিফর্ম নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষের
  • ২০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের পোশাক নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ। নিম্নমানের পোশাক থেকে শুরু করে সেলাইয়ের জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কম মজুরি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লক কংগ্রেস-সিপিএম জোট পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং বিডিওর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ নরেন্দ্রনাথ সাহার। তাঁর দাবি, আরটিআই করেও মেলেনি যথোপযুক্ত উত্তর। 

Advertisement

অপরদিকে, ধার্য মজুরির থেকেও কম দেওয়ার অভিযোগ পোশাক সেলাইয়ের দায়িত্বে থাকা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদেরও। অভিযোগ সামনে আসতেই জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও প্রতিক্রিয়ার জন্য পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তহমিনা খাতুনকে মেসেজ ও ফোন করা হলে তিনি উত্তর দেননি। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ বিডিও সৌমেন মণ্ডল বলেন, আরটিআই করেছিলেন। তার জবাব দেওয়া হয়েছে। অন্য অভিযোগ আসেনি। কারও অভিযোগ থাকলে করতেই পারেন। হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতি কংগ্রেস সিপিএম জোটের দখলে। সভাপতি কংগ্রেসের তহমিনা খাতুন। অভিযোগ, পড়ুয়াদের দেওয়া পোশাকের কাপড় অত্যন্ত নিম্নমানের। ঠিক করে সেলাই করা হয় না। রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রাথমিক, আপার প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক, মাধ্যমিক শিক্ষাকেন্দ্র, শিশু শিক্ষাকেন্দ্র ও মাদ্রাসায় প্রাক-প্রাথমিক থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রদের প্রতি শিক্ষাবর্ষে হাফ অথবা ফুল জামা ও হাফ অথবা ফুল প্যান্ট এবং মেয়েদের দেওয়া হয় স্কার্ট-জামা অথবা চুড়িদার, ওড়না। প্রত্যেকটি স্কুল ইউনিফর্মে থাকে বিশ্ব বাংলার লোগো। 
শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ বলেন, পোশাকের কাপড় নিয়ে দুর্নীতি হচ্ছে। সরকার যে কাপড় দিচ্ছে, সেটা বদলে দেওয়া হয়। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিডিওকে নিয়ে এই দুর্নীতি করছেন। বিডিওর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এমনকী প্রশাসন সঠিক পদক্ষেপ না নিলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন বলে জানান। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দলনেত্রী টুম্পা দাস ও মন্দিরা দাসরা বলেন, স্কুলের পড়ুয়াদের পোশাক তৈরির দায়িত্ব পান স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। সেলাইয়ের জন্য পোশাক প্রতি মাত্র ১০ টাকা করে দেওয়া হয়। এই নিয়ে বিডিওর কাছে অভিযোগ করেছিলাম। তিনি ডেকে জানিয়েছিলেন সরকারিভাবে সেলাইয়ের জন্য বরাদ্দ ২৯ টাকা। যদি সেটাই বরাদ্দ হয়ে থাকে, তাহলে বাকি ১৯ টাকা কোথায় যাচ্ছে ?

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ