Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জামুড়িয়ায় অভিযানে বাজেয়াপ্ত টাকার পরিমাণ ৪ দিন পরেও জানাল না ইডি

বুধবার শিল্পাঞ্চলের আট জায়গায় ম্যারাথন অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। জামুড়িয়া বনসল পরিবারের জীর্ণ বাড়ি থেকেই বিপুল টাকার হদিশ পান ইডির আধিকারিকরা।

জামুড়িয়ায় অভিযানে বাজেয়াপ্ত টাকার পরিমাণ ৪ দিন পরেও জানাল না ইডি
  • ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: বুধবার শিল্পাঞ্চলের আট জায়গায় ম্যারাথন অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)। জামুড়িয়া বনসল পরিবারের জীর্ণ বাড়ি থেকেই বিপুল টাকার হদিশ পান ইডির আধিকারিকরা। এসবিআই ব্যাংক থেকে টাকা গোনার মেশিন আনা হয়। প্রায় ১০ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে দু’বস্তা সামগ্রী নিয়ে বের হন ইডি আধিকারিকরা। কত টাকা উদ্ধার করেছে, তা জানাতে চাননি আধিকারিকরা। এমনকি, ঘটনার চারদিন পরেও প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা প্রকাশ্যে আনেনি কেন্দ্রীয় সংস্থা, যা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। কেন টাকার পরিমাণ ও অভিযান নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে অর্থমন্ত্রকের অধীনে থাকা সংস্থা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তারই মাঝে বনসলদের পরিচয়, প্রভাব প্রতিপত্তি নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। একাধিক প্রভাবশালীর সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বনসলরা জামুড়িয়ার প্রতিষ্ঠিত হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী। এর বাইরে খুব বেশি কিছু জানা ছিল না জামুড়িয়াবাসীর। এখন জানা গিয়েছে, কয়লার ডিওর কারবারের নিয়ন্ত্রণ করা, জামুড়িয়ায় বেসরকারি কারখানাগুলির সঙ্গে অন্যদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে দেওয়ার মূল কারিগর ছিল তারাই। সেই সূত্র ধরেই রাজস্থানের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। ভিন রাজ্যের প্রভাবশালী সূত্র রয়েছে বলেই কি ইডি কিছুটা মেপে পা ফেলছে? এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কারণ, ইডি অভিযান করলেই দ্রুত প্রেস রিলিজ করে অভিযানে মূল অংশ তুলে ধরে। এবার ব্যতিক্রমভাবে তা করা হয়নি।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ