নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: স্থান, বিনপুর-১ ব্লকের সিজুয়া। চোখ যেদিকে যায় সেদিকে শুধুই বালি। শ’য়ে শ’য়ে দাঁড়িয়ে বালির লরি। চালকদের চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ। কিন্তু কেন? শাবল, লোহার রড ,গ্যাস কাটার দিয়ে ইডির অফিসাররা সিজুয়ার বালি খাদান অফিসের দরজার তালা ভাঙছেন। গোপীবল্লভ-১ ব্লকের সুমিত্রাপুর বালি খাদান অফিসেও সকাল ৭টা থেকে চলে চিরুনি তল্লাশি। ইডির পরপর হানায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা ঝাড়গ্রামে। ঝাড়গ্রামে সুবর্ণরেখা ও কংসাবতী নদী তীরবর্তী এলাকার অবিসংবাদিত শাসক এখন ‘বালি রাজা’। খাদান এলাকায় তাঁর কথাই শেষ কথা। নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ তাঁর নাম মুখে আনতেও ভয় পান। ইডির একটি দল গত ৬ সেপ্টেম্বর সুমিত্রাপুর বালি খাদানে হানা দিয়েছিল। সূত্রের খবর, খাদানটি বালি ব্যবসায়ী সৌরভ রায়ের। তিনি লালগড় রাজাদের উত্তরপুরুষ। গত মাসে তাঁর পশ্চিম মেদিনীপুরের যমুনাবালি বাড়িতেও ইডি হানা দিয়েছিল। গোপীবল্লভপুর-১ ব্লক ও লালগড়ে এদিন ইডির দু’টি দল আলাদাভাবে হানা দেয়। যা নিয়ে জেলায় নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিনুপুর-১ ব্লকের সিজুয়ার এক তৃণমূল নেতা বলেন, নদীগর্ভের নানা জায়গা থেকে বালি তোলা হচ্ছে। বালি খাদানের বৈধ সীমানা কতদূর, সাধারণ মানুষের পক্ষে তা বোঝা সম্ভব নয়। সুমিত্রাপুর বালি খাদানের এক কর্মী বলেন, সব কর্মী পালিয়ে গিয়েছেন। খাদানে কাজ করতে আসতে এখন আমাদের ভয় লাগছে।



