Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাগজ, পাটকাঠি, সুতো দিয়ে অভিনব প্যান্ডেল ইস্টার্ন ইয়ং অ্যাসোসিয়েশনের

ময়নাগুড়ির ইস্টার্ন ইয়ং অ্যাসোসিয়েশনে এলে দেখা যাবে হাতের কাজের মণ্ডপ। সূক্ষ্ম কারুকাজ দর্শনার্থীদের মনজয় করবে বলে দাবি কালীপুজো আয়োজকদের।

কাগজ, পাটকাঠি, সুতো দিয়ে অভিনব প্যান্ডেল ইস্টার্ন ইয়ং অ্যাসোসিয়েশনের
  • ২০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সোমনাথ চক্রবর্তী , ময়নাগুড়ি:

Advertisement

ময়নাগুড়ির ইস্টার্ন ইয়ং অ্যাসোসিয়েশনে এলে দেখা যাবে হাতের কাজের মণ্ডপ। সূক্ষ্ম কারুকাজ দর্শনার্থীদের মনজয় করবে বলে দাবি কালীপুজো আয়োজকদের। মণ্ডপের প্রতিটি কোণেই থাকছে নিখুঁত কাজ। ময়নাগুড়ি বল খেলার মাঠে মণ্ডপ তৈরি করেছে ইস্টার্ন ইয়ং অ্যাসোসিয়েশন। এবার এদের পুজো বত্রিশ বছরে পড়ল। কালীপুজোর থিম ‘দিগন্ত’। মণ্ডপ তৈরি করছেন কলকাতার শিল্পী সাধন দেবনাথ। মণ্ডপ রূপায়ণে ফালাকাটার বাসিন্দা মন্টি মুখোপাধ্যায়। শুধু সূক্ষ্ম কারুকাজই নয়, থাকছে চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা। এখানে প্রতিমা তৈরি করছেন ময়নাগুড়ির শিল্পী বুলেট রায়। 
ইস্টার্ন ইয়ং অ্যাসোসিয়েশনের পুজো কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আছেন অঞ্জন ভৌমিক, সহ সভাপতি বিকাশ ঘোষ, সম্পাদক মানব দাস, সহ সম্পাদক বাপি সরকার। আজ, সোমবার থেকে বল খেলার মাঠের একটি অংশে শুরু হচ্ছে মিলনমেলা। রাজ্যের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা রবিবারই স্টল সাজানোর কাজ শুরু করেন। বিনোদনের জন্য এসেছে নাগরদোলা, ঝুলন্ত নৌকা থেকে শুরু করে শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইড। মণ্ডপটি তৈরি করা হয়েছে প্লাই, কাপড়, নেট, লোহা, পাটকাঠি, সুতো সহ পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন ধরনের উপকরণ দিয়ে। ক্লাব কর্মকর্তাদের দাবি, প্রতিবছরই তাদের কালীপুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীর ভিড় রাত গড়িয়ে ভোর পর্যন্ত থাকে। ময়নাগুড়ি ছাড়াও জলপাইগুড়ি, ধূপগুড়ি, ফালাকাটা থেকে প্রচুর দর্শনার্থী গাড়ি ভাড়া করে এসে পুজো দেখে যান। পাশাপাশি মেলাতেও উপচে পড়ে ভিড়। এবছর অন্যান্য বছরের থেকে আরও বেশি ভিড় হবে বলে আশাবাদী পুজো উদ্যোক্তারা। 
পুজো কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, বিগত কয়েকবছর ধরেই তারা বিগ বাজেটের কালীপুজো উপহার দিয়ে আসছেন ময়নাগুড়িবাসীকে। এ বছর তাদের সুবিশাল মণ্ডপ সকলকে আকর্ষণ করবে। পাশাপাশি কাগজ, পাটকাঠি, সুতো দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের ফুল, পাতা, প্রজাপতি, কলকা প্রভৃতির যে কাজ করা হয়েছে তা দর্শনার্থীদের মন ভরিয়ে দেবে। পাশাপাশি চন্দননগরের লাইটিং ছোট থেকে বড় সকলেরই ভালো লাগবে। - নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ