Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দেউচা পাচামিতে বিশেষ দুয়ারে সরকার মিলবে সবরকম সহায়তা

জোরকদমে দেউচা পাচামিতে খনন কাজ চলছে। অন্যদিকে, নানা সমস্যার সমাধানে জেলা প্রশাসনের

দেউচা পাচামিতে বিশেষ দুয়ারে সরকার মিলবে সবরকম সহায়তা
  • ১১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: জোরকদমে দেউচা পাচামিতে খনন কাজ চলছে। অন্যদিকে, নানা সমস্যার সমাধানে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রকল্প সংলগ্ন এলাকায় আমজনতার দুয়ারে পৌঁছে গেল সরকারি অফিস! সোমবার থেকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভারকাটা পঞ্চায়েত এলাকায় বিশেষ শিবির শুরু হল। এই শিবিরে জাতিগত শংসাপত্র থেকে শুরু করে আধার, জয় জোহার, তপশিলি বন্ধু, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, রেশন সহ একাধিক ইস্যুতে সাধারণের সমস্যা সমাধানে কাজ চলবে। প্রথমদিন মথুরাপাহাড়ি ও সাগরবাঁদি এলাকায় পৃথক দু'টি জায়গায় শিবির বসে। শুরু থেকেই বহু মানুষ একাধিক অভাব অভিযোগ নিয়ে শিবিরে পৌঁছন। নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সুবিধা পেতে আবেদনও জানান। জেলা প্রশাসনের এহেন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রা। জেলাশাসক বিধান রায় বলেন, আগেও ওই এলাকায় দুয়ারে সরকার শিবির করা হয়েছিল। আবারও নতুন করে শিবির শুরু হল। নিত্যপ্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করে দেওয়ার লক্ষ্যে এই শিবির। এতে সাধারণ মানুষ সরকারি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে উপকৃত হবেন। এই কাজ আগামীতেও চলবে।

Advertisement

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকেই দেউচা পাচামির চাঁদা মৌজায় ১২ একর সরকারি জমিতে খনন কাজ শুরু হয়। সেই কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এদিকে খনন কাজ শুরুর পরদিন থেকেই জেলা প্রশাসনের তরফে প্রকল্প সংলগ্ন এলাকায় পৃথক পাঁচটি অস্থায়ী শিবির করা হয়েছিল। মূলত ওই শিবিরগুলি থেকে জমির নথি সংশোধন সংক্রান্ত কাজে সাধারণ মানুষ আবেদন জানিয়েছিলেন। 
আবেদন মোতাবেক তাঁরা উপযুক্ত নথিও হাতে পাচ্ছেন। সেই শিবিরের কাজ এখনও জারি রয়েছে। অন্যদিকে, ওই শিবির চলাকালেই স্থানীয়রা আধার, জাতিগত শংসাপত্র সহ একাধিক বিষয়ে সমস্যার কথা জেলাশাসককে জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাজ্যের একাধিক দপ্তরের মুখ্য সচিবদের উপস্থিতিতে চলা রিভিউ মিটিংয়ে নতুন করে শিবির করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সেই মোতাবেক এদিন থেকে প্রকল্প সংলগ্ন এলাকায় শিবির চালু হল। প্রথমদিনেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রায় ২০০ আবেদন জমা পড়েছে। 
জেলা প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, আজ চাঁদা এলাকায় একটি শিবির বসবে। বুধবার গাবারবাথান ও বৃহস্পতিবার বারোমেসে এলাকায় শিবির করা হবে। প্রতিটি ক্যাম্পে স্থানীয় এলাকার বাসিন্দাদের নানা সমস্যার সমাধানে কাজ চলবে। স্থানীয় কালীচরণ মুর্মু বলেন, প্রশাসনের কাজে আমরা খুশি। আমরা দাবি জানিয়েছিলাম। সেই মোতাবেক শিবির বসেছে। কাজও শুরু হয়েছে। মুন্সি বাসকি বলেন, আধার কার্ড থেকে শুরু করে জন্মের শংসাপত্র সহ একাধিক বিষয়ে নানা সমস্যা রয়েছে। এই শিবিরের জন্য আমাদের অনেক সুবিধা হল। এতদিন আমাদের জেলাপ্রশানের অফিসে ছুটে যেতে হতো। তা থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ