সংবাদদাতা, ঘাটাল: ফের বেশ কয়েক বোতল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ উদ্ধার করল দাসপুর থানার পুলিস। ওই থানার বিভিন্ন জায়গা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রত্যেকেই নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ পাচারের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সুরজিৎ সামন্ত ওরফে বীরা, দেবাশিস আচার্য, অরুণ প্রামাণিক। তাদের বাড়ি বিভিন্ন এলাকায়। ধৃতদের মাদক সংক্রান্ত বিশেষ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
দাসপুর থানা এলাকায় নিষিদ্ধ সিরাপ পাচার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। গত ১০ডিসেম্বর সিরাপ পাচার করতে এসে দাসপুর থানার পুলিসের হাতে ভিনরাজ্যের এক যুবক ধরা পড়ে। ওই রাতে ওড়িশার সীতারাম দাস নামে ওই যুবক দাসপুর থানার পায়রাশিতে ঘোরাঘুরি করছিল। পুলিস গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে ৭৮বোতল নিষিদ্ধ সিরাপও উদ্ধার হয়। পুলিস জানিয়েছে, সীতারামকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। তার কাছ থেকেই সূত্র পেয়ে নিষিদ্ধ সিরাপ পাচারের সঙ্গে যুক্ত দাসপুর থানা এলাকার তিনজনের নাম পায়। শনিবার রাতে সীতারামকে নিয়ে পুলিস দাসপুর থানার বাসিন্দা ওই তিন যুবকের বাড়িতে হানা দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের কাছ থেকে আরও মোট ২০৫ বোতল নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার হয়েছে।
কয়েক মাস আগে ২৬ জুলাই দাসপুর থানার জনার্জনপুর থেকে প্রায় ১২হাজার বোতল নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার হয়েছিল। জনার্জনপুর গ্রামটি একেবারে প্রত্যন্ত এলাকায়। ওইদিন সকালে নদীর পাড়ে ঝোপের মধ্যে গ্রামবাসীরা কয়েকটি বস্তা দেখতে পান। একটি বস্তা খুলতেই কাশির সিরাপ দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিস বোতলগুলি উদ্ধার করে।
পুলিস জানিয়েছে, ফেনসিডিল সিরাপ অনেকে নেশার জন্য ব্যবহার করে। যুব সমাজের মধ্যে এর ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। অপব্যবহার রোধ করতে এবং স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতে ফেনসিডিলের মতো ওষুধের উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেজন্য কোনওভাবেই যাতে ওই ধরনের সিরাপ কেউ ব্যবহার, পাচার বা বিক্রি করে তার জন্য পুলিস বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে।
কয়েক মাস আগে ২৬ জুলাই দাসপুর থানার জনার্জনপুর থেকে প্রায় ১২হাজার বোতল নিষিদ্ধ সিরাপ উদ্ধার হয়েছিল। জনার্জনপুর গ্রামটি একেবারে প্রত্যন্ত এলাকায়। ওইদিন সকালে নদীর পাড়ে ঝোপের মধ্যে গ্রামবাসীরা কয়েকটি বস্তা দেখতে পান। একটি বস্তা খুলতেই কাশির সিরাপ দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিস বোতলগুলি উদ্ধার করে।
পুলিস জানিয়েছে, ফেনসিডিল সিরাপ অনেকে নেশার জন্য ব্যবহার করে। যুব সমাজের মধ্যে এর ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। অপব্যবহার রোধ করতে এবং স্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতে ফেনসিডিলের মতো ওষুধের উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেজন্য কোনওভাবেই যাতে ওই ধরনের সিরাপ কেউ ব্যবহার, পাচার বা বিক্রি করে তার জন্য পুলিস বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে।



