সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: দুর্গাপুরে এক ব্যবসায়ীকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠেছে একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপ থানার পুলিস অভিযুক্তকে সোমবার গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম সজল মণ্ডল। তার বাড়ি কাঁকসা থানার বামুনাড়া এলাকায়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে ধৃত। তাকে মঙ্গলবার দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করলে বিচারক চারদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
প্রতারিত ব্যবসায়ী বিশ্বনাথ ঘোষ বলেন, আমার মুচিপাড়া এলাকায় একটি ওয়ার্কশপ রয়েছে। সেখানে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ইস্পাত কারখানার মোটর ও ইলেকট্রিক মেশিনারি মেরামতি করা হয়। ব্যবসার জন্য ব্যাঙ্ক ঋণের প্রয়োজন ছিল। গতবছর সজল মণ্ডলের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল। তার সংস্থা ব্যাঙ্ক থেকে বাণিজ্যিক ঋণ প্রকল্পে ঋণ দিতে সহায়তা করে। গত বছর ডিসেম্বর মাসে আমি তার কাছে ঋণের জন্য নথিপত্র দিয়ে আবেদন করি। সে আমাকে জানায় ঋণ পেতে অগ্রিম টাকা দিতে হবে। সেই মতো আমি তাকে অনলাইনে কয়েক ধাপে ৩৬ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকার অধিক টাকা প্রদান করেছি। যখন দেখছি ঋণ দিচ্ছে না, তখন তার সংস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি, ওই সংস্থা ঋণ দেওয়ার নামে মানুষজনের কাছ থেকে টাকা আদায় করে প্রতারণা করে।
তখন আমি টাকা ফেরত চাই। চলতি বছরের মে মাসে আমাকে সজল একটি ২৫ লক্ষ টাকার চেক দিয়েছিল। সেই চেক ব্যাঙ্কে জমা করলে বাউন্স হয়ে যায়। চেক বাউন্সের মামলাও করেছিলাম। গত দু’মাস আগে নিউ টাউনশিপ থানায় আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযুক্ত সজল মণ্ডল বলে, সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। আমাকে ফাঁসিয়েছে বিশ্বনাথ ঘোষ। পুলিস ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
তখন আমি টাকা ফেরত চাই। চলতি বছরের মে মাসে আমাকে সজল একটি ২৫ লক্ষ টাকার চেক দিয়েছিল। সেই চেক ব্যাঙ্কে জমা করলে বাউন্স হয়ে যায়। চেক বাউন্সের মামলাও করেছিলাম। গত দু’মাস আগে নিউ টাউনশিপ থানায় আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছি। অভিযুক্ত সজল মণ্ডল বলে, সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। আমাকে ফাঁসিয়েছে বিশ্বনাথ ঘোষ। পুলিস ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।



