Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দীর্ঘদিন খারাপ এক্স রে মেশিন, রোগীদের ছুটতে হচ্ছে বাইরে

দীর্ঘদিন খারাপ এক্স রে মেশিন, রোগীদের ছুটতে হচ্ছে বাইরে
  • ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, করিমপুর: এক্স রে মেশিন দীর্ঘদিন খারাপ থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালের রোগীদের। ফলে এক্স রে করতে হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ডায়াগনোস্টিক ল্যাবরেটরিতে ছুটতে হচ্ছে রোগীদের। স্বভাবতই সময় এবং খরচ যেমন বেশি লাগছে তেমনি হয়রানির শিকারও হতে হচ্ছে তাঁদের। ক’দিন আগেই বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে আসেন করিমপুরের স্বপন বিশ্বাস। তাঁর এক আত্মীয় বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখাতে বুকের এক্স রে করতে বলেন ডাক্তার। কিন্তু হাসপাতালের এক্স রে মেশিন খারাপ থাকায় রোগীকে নিয়ে বাইরে ছুটতে হল। একই সমস্যায় পড়েছেন করিমপুরের রুমা রায়। তিনি বলেন, পড়ে গিয়ে কোমরে চোট পেয়েছিলাম। বাইরে থেকে এক্স রে করাতে গিয়ে অনেক বেশি টাকা খরচ হয়ে গেল। ওই টাকায় ওষুধ কিনব ভেবেছিলাম। সেটা আর হল না। এলাকার মানুষের অভিযোগ, চিকিৎসার জন্য করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালের উপর করিমপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ মানুষ নির্ভর করেন। এছাড়াও এই হাসপাতালের অবস্থানগত কারণের জন্যও পাশের জেলা মুর্শিদাবাদ থেকে বহু মানুষ এই হাসপাতালেই আসেন। করিমপুর ২ ব্লকের নতিডাঙা গ্রামীণ হাসপাতালেও এক্স রে করানোর ব্যবস্থা না থাকায় সেখান থেকেও বহু রোগী করিমপুর হাসপাতালে আসেন। তাঁরাও এক্স রে করাতে না পেরে ফিরে যান। গত কয়েক বছরে হাসপাতালের নতুন ভবন হলেও পরিকাঠামোর উন্নতি হয়নি। ফলে নিত্যদিন হাসপাতালে এসে হয়রান হতে হচ্ছে বহু মানুষকে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর দশেক আগে এক্স রে মেশিন থাকলেও টেকনিশিয়ান ছিল না। ফলে বহু সময় এই বিভাগ বন্ধ ছিল। এখন এক্স রে টেকনিশিয়ান থাকলেও মেশিন অকেজো হওয়ায় সেই ভোগান্তি হচ্ছে মানুষের। করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালের সুপার মনীষা মণ্ডল বলেন, হাসপাতালের বহির্বিভাগেই দৈনিক গড়ে সাড়ে চারশো রোগী আসেন। তার মধ্যে গড়ে প্রায় কুড়ি জন আসেন হাড় সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে। তাঁদের সকলকেই এক্স রে করাতে বাইরে যেতে হচ্ছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ