নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ভুটানের বোল্ডারে ভরেছে ডুয়ার্সের নদীখাত। হাসিমারা ঝোরা, যোগীখোলা সহ একাধিক নদী কার্যত জনপদের উপর দিয়ে বইছে। ফলে ভারী বৃষ্টি হলে ডুয়ার্সে ঘনিয়ে আসতে পারে ঘোর বিপর্যয়। এমনটাই আশঙ্কা সেচদপ্তরের কর্তাদের।
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ভুটানের বোল্ডারে ভরেছে ডুয়ার্সের নদীখাত। হাসিমারা ঝোরা, যোগীখোলা সহ একাধিক নদী কার্যত জনপদের উপর দিয়ে বইছে। ফলে ভারী বৃষ্টি হলে ডুয়ার্সে ঘনিয়ে আসতে পারে ঘোর বিপর্যয়। এমনটাই আশঙ্কা সেচদপ্তরের কর্তাদের।
ভুটান পাহাড়ে কতটা বৃষ্টি হচ্ছে, তা জানতে মাত্র বর্তমানে মাত্র চারটি রেইন গেজ রয়েছে। জলঢাকা ও তোর্সা নদীর উপর একটি করে এবং সঙ্কোশ নদীর উপর দু’টি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানকে ৫২টি রেইন গেজ বসানোর জন্য অনেক আগেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তা এখনও হয়নি। ভুটান পাহাড় থেকে নেমে আসা নদীগুলিতে পর্যাপ্ত রেইন গেজ না থাকায়, সেখানে কতটা বৃষ্টি হচ্ছে তা সময়মতো জানতে পারছে না এরাজ্যের সেচদপ্তর। ফলে বিপর্যয় মোকাবিলায় সেভাবে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সোমবারই ভুটানের জল নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জলের সঙ্গে ভুটান থেকে যেভাবে ডলোমাইট চলে আসছে, তা নিয়েও রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।
রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া বলেন, ভুটান পাহাড় থেকে ডুয়ার্সে ছোট-বড় মিলিয়ে ৭২টি নদী নেমে এসেছে। বছরের পর বছর ধরে আমরা ইন্দো-ভুটান নদী কমিশনের দাবি জানিয়ে আসছি। মুখ্যমন্ত্রী চিঠি লিখছেন। মুখ্যসচিব চিঠি লিখছেন। অথচ কেন্দ্রের কোনও হেলদোল নেই। তাঁর অভিযোগ, ভুটান পাহাড়ে নদীগুলির ক্যাচমেন্টে পর্যাপ্ত রেইন গেজ নেই। এখন মাত্র চার-পাঁচটি রেইন গেজ রয়েছে। অথচ দরকার ৫২টি। আমরা বারবার বলেছি। তারপরও ভুটান রেইন গেজ বসায়নি। পর্যাপ্ত রেইন গেজ থাকলে আমরা সময়মতো জানতে পারতাম ভুটান পাহাড়ে কেমন বৃষ্টি হচ্ছে। সেইমতো আমরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় পদক্ষেপ করতে পারতাম।