নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: শুক্রবার সন্ধ্যায় ডানকুনিতে দিল্লি রোডের উপর এক যুবককে গুলি করে খুন করল দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে ডানকুনি পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের গ্র্যান্ড সিটির কাছে। ঘটনার পরপরই এলাকাটি ঘিরে ফেলে ডানকুনি থানার পুলিস। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চন্দননগর কমিশনারেটের কমিশনার অমিত জাভালগি সহ পদস্থ পুলিস কর্তারা। পুলিস কমিশনার মৃত যুবকের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন। পুলিস জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বান্টি সাউ (২২)। তিনি একটি শিল্পসংস্থায় জেসিবি (হাইড্রলিক মেশিন) গাড়ি চালানোর কাজ করতেন। ডানকুনির বন্দেরবিল এলাকায় তাঁর বাড়ি। নিম্নবিত্ত পরিবারের এই যুবককে খুনের পিছনে কী রহস্য থাকতে পারে, তা নিয়ে ধন্দে পড়েছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস কমিশনার বলেন, তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সব দিক থেকেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বান্টির বাবা রাজকুমার সাউ বলেন, আমার ছেলে কাজ থেকে বাড়ি ফিরছিল। কেন ওকে খুন করা হল, বুঝতে পারছি না। পুলিস তদন্ত করুক। ডানকুনি পুরসভার চেয়ারম্যান হাসিনা শবনব বলেন, বহু বছর ডানকুনিতে এমন ঘটনা ঘটেনি। খুবই উদ্বেগের বিষয়। চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিস তৎপরতার সঙ্গে পদক্ষেপ করেছে। স্থানীয় ও পুলিসের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, বান্টির সঙ্গে তাঁর আত্মীয়দের সম্প্রতি বিবাদ হয়েছিল। খুনের সঙ্গে সেই ঘটনার যোগ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যার পর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের দিল্লি রোডের ধারে স্থানীয় মানুষজন ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। কাছেই তাঁর বাইকটি পড়েছিল। প্রথমে তাঁরা ভাবেননি যে, ওই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁদের ধারণা হয়েছিল, হয়তো বাইক দুর্ঘটনা হয়েছে। পুলিস এসে বান্টিকে উদ্ধার করে। দ্রুত তাঁকে শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের দাবি, যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, সেই এলাকাটি তুলনায় ফাঁকা। সেকারণেই হয়তো দুষ্কৃতীরা খুনের জন্য এই জায়গাটি বেছেছিল। পাশাপাশি, গুলির শব্দও শোনা যায়নি বলে জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্ধ্যার পর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের দিল্লি রোডের ধারে স্থানীয় মানুষজন ওই যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। কাছেই তাঁর বাইকটি পড়েছিল। প্রথমে তাঁরা ভাবেননি যে, ওই যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁদের ধারণা হয়েছিল, হয়তো বাইক দুর্ঘটনা হয়েছে। পুলিস এসে বান্টিকে উদ্ধার করে। দ্রুত তাঁকে শ্রীরামপুরের ওয়ালশ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয়দের দাবি, যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, সেই এলাকাটি তুলনায় ফাঁকা। সেকারণেই হয়তো দুষ্কৃতীরা খুনের জন্য এই জায়গাটি বেছেছিল। পাশাপাশি, গুলির শব্দও শোনা যায়নি বলে জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে।



