সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: সোমবার নিতুড়িয়া থানা এলাকায় প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে ডাম্পারের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। মৃতের নাম শ্যামাপদ রাউত(৬৫)। বাড়ি মেকাতলা গ্রামে। তিনি এসইউসি দলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ঘটনার প্রতিবাদে গ্রামের বাসিন্দারা পুরুলিয়া-বরাকর রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন। যান নিয়ন্ত্রণ, মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং রাজ্য সড়কের দু’পাশে স্পঞ্জ আয়রন কারখানার ছাই ফেলা বন্ধের দাবি জানানো হয়। সকাল ৬টা থেকে অবরোধ শুরু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ পুলিসের আশ্বাসে অবরোধ ওঠে। দীর্ঘক্ষণ অবরোধের জেরে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। যাত্রীরা সমস্যায় পড়েন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন শ্যামপদবাবু প্রাতঃভ্রমণ সেরে পুরুলিয়া- বরাকর রাজ্য সড়ক ধরে বাড়ি ফিরছিলেন। সুভাষ মোড়ের কাছে ডাম্পারটি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। যার জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতদেহ রাস্তায় রেখে বাঁশ দিয়ে রাজ্য সড়ক অবরোধ করা হয়। খবর পেয়ে নিতুড়িয়া থানার পুলিস ঘটনাস্থলে আসে। মৃতদেহটি উদ্ধার করতে গেলে অবরোধকারীদের সঙ্গে বচসা বাধে। পুলিস অবরোধকারীদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করে। পরে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেওয়া হলে অবরোধ ওঠে।
Advertisement
অবরোধকারীদের মধ্যে শ্রীকান্ত মণ্ডল, রাজকুমার মণ্ডল বলেন, সিসিটিভিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে দু’টি ডাম্পারের মধ্যে রেষারেষি চলছিল। একটি ডাম্পার শ্যামাপদবাবুকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। নিতুড়িয়া এলাকায় রাজ্য সড়কে প্রায় দিন দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রতিটি ডাম্পার ওভারলোডেড থাকে। তাছাড়া বিভিন্ন কারখানার ছাই রাজ্য সড়কের দু’পাশে ফেলা হচ্ছে। তার ফলে রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠছে। অবিলম্বে রাস্তার পাশে ছাই ফেলা বন্ধ করতে হবে।



