Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ডোমকলে গুলের দাম বৃদ্ধির জেরে সমস্যায় চা বিক্রেতারা

ডোমকলে গুলের দাম বৃদ্ধির জেরে সমস্যায় চা বিক্রেতারা
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, ডোমকল: মূল্যবৃদ্ধির বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সঙ্গে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত গুলের দাম হু-হু করে বেড়েছে। চারমাসের ব্যবধানে বস্তাপ্রতি গুলের দাম ১০০ টাকার কাছাকাছি বেড়েছে। ডোমকল, রানিনগর, জলঙ্গীর অনেক চা বিক্রেতা জ্বালানি হিসেবে গুল ব্যবহার করেন। কিন্তু গুলের দাম বাড়লেও তাঁরা চায়ের দাম বাড়াতে পারছেন না। তাই খুব কম লাভ রেখেই তাঁদের চা বিক্রি করতে হচ্ছে। কয়লার গুঁড়ো দিয়ে তৈরি ছোট ছোট বলের আকারের জ্বালানিকে ‘গুল’ বলা হয়। বিভিন্ন চায়ের দোকানে প্রতিদিন কেজি কেজি গুল পুড়িয়ে চা তৈরি করা হয়। গুল ঠিকমতো জ্বলে উঠলে দীর্ঘক্ষণ ধরে জ্বলতে থাকে। এটি ব্যবহারে ধোঁয়াও হয় না। তাই গ্রামাঞ্চলে ইলেকট্রিক ওভেন বা গ্যাস সিলিন্ডারের বদলে এখনও বহু চা বিক্রেতার প্রথম পছন্দ গুলের আঁচ।
Advertisement
কিন্তু কয়েকমাস ধরে গুলের দাম ব্যাপক বেড়েছে। চারমাস আগেও ২৫ কেজি গুলের বস্তার দাম ছিল ১৭৫ টাকার কাছাকাছি। অথচ এখন সেই বস্তার দাম ছুঁয়েছে ২৭০ টাকা। বাজারে চায়ের দোকানে দিনে অন্তত ২০-২৫ কেজি গুল ব্যবহার করা হয়। ফলে ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন চা তৈরি করতে বাড়তি ১০০ টাকা খরচ হচ্ছে। কিন্তু চায়ের দাম বাড়ালে তাঁদের লাভ অনেকটাই কমে এসেছে। এছাড়া, চায়ের দাম এক-দু’টাকা বাড়ালে খুচরো দেওয়া নিয়েও সমস্যা হচ্ছে।রানিনগরের শেখপাড়ার চায়ের দোকানদার পায়েল শেখ বলেন, কয়েকমাসে গুলের দাম বস্তাপ্রতি প্রায় ১০০ টাকা বেড়ে গিয়েছে। প্রতিদিন আমাদের দোকানে প্রায় এক বস্তা গুল প্রয়োজন হয়। 
গুলের দাম এত বেড়ে যাওয়ায় আমাদের লাভ অনেকটা কমে এসেছে। আবার চায়ের দাম বাড়ালে মানুষ সেভাবে চা খেতে আসছেন না। এতেই আমরা সমস্যায় পড়েছি। জলঙ্গির এক গুল ব্যবসায়ী বলেন, কয়লার দাম বেড়েছে। সেইসঙ্গে পরিবহণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় গুলের দাম বেড়ে গিয়েছে। এতে আমাদেরও খুব বেশি লাভ থাকছে না।
সম্পর্কিত সংবাদ