নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: উপনির্বাচন শেষ। তৃণমূলের তরফে বিভিন্ন এলাকায় প্রচারের জন্য লাগানো দলীয় পতাকা খুলে স্থানীয় কার্যালয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই গ্রামীণ এলাকার পাশাপাশি পুরসভা এলাকাতেও দলীয় পতাকা খোলার কাজ শুরু করেছেন কর্মীরাই। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের প্রচারের জন্য প্রায় এক লক্ষ দলীয় পতাকা লাগানো হয়েছিল। যা এক কথায় রেকর্ড বলেই মানছেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। তৃণমূলের এক নেতার কথায়, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই বিপুল পরিমাণ দলীয় পতাকা ব্যবহার করা হয়েছে উপ নির্বাচনে। পাশাপাশি এখন থেকেই বুথ স্তরে সংগঠন আরও মজবুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
এদিন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন, এত দলীয় পতাকা কোনও নির্বাচনে ব্যবহার হয়নি। শালবনী, মেদিনীপুর সদর ব্লকে সবচেয়ে বেশি পতাকা লাগানো হয়েছে। বুথস্তরে জোর কদমে প্রচারের জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দলীয় পতাকা খোলার কাজ শুরু হয়েছে।
প্রসঙ্গত, উপনির্বাচনে বিভিন্ন এলাকায় দেওয়াল লিখনের পাশাপাশি দলীয় পতাকা দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়। মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে শহরের বটতলাচক, কালেক্টরেট মোড়, কেরানিটোলা মোড় সহ বিভিন্ন এলাকায় দলীয় পতাকায় মুড়ে দেয় তৃণমূল। এছাড়া সিপিআই ও বিজেপির তরফেও বিভিন্ন এলাকায় দলীয় পতাকা লাগানো হয়। বাদ যায়নি গ্রামীণ এলাকাও। শালবনী, মেদিনীপুর সদর ব্লকের ৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বহু দলীয় পতাকা লাগানো হয়। জানা গিয়েছে, শালবনী ব্লকে দলীয় পতাকা লাগানো নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে টক্কর শুরু হয়। তৃণমূল ও বিজেপি একত্রে এই ব্লকে ৬০ হাজারের বেশি দলীয় পতাকা লাগিয়েছে। যা রেকর্ড।
একজন তৃণমূল নেতার কথায়, শুধু শহর এলাকায় ১৫ হাজারের বেশি দলীয় পতাকা লাগানো হয়েছিল। প্রতিটি পতাকার দাম গড়ে ২০ টাকা। এত টাকা খরচ করে কেনা পতাকা নষ্ট করতে চাইছে না দলীয় নেতৃত্ব। একইসঙ্গে ধাপে ধাপে বিভিন্ন এলাকা থেকে ফ্লেক্স ও ব্যানার খুলে ফেলা হবে। যাতে ঝড়-বৃষ্টির সময় কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে।
বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, শহরের পাশাপাশি আমরাও গ্রামীণ এলাকায় সমান তালে প্রচার করেছি। দলীয় পতাকায় বিভিন্ন এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল। আমাদেরও লক্ষ্য ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন। তাই এখন থেকেই নানা পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মানুষ আমাদের পাশেই থাকবেন।
প্রসঙ্গত, উপনির্বাচনে বিভিন্ন এলাকায় দেওয়াল লিখনের পাশাপাশি দলীয় পতাকা দিয়ে মুড়ে ফেলা হয়। মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে শহরের বটতলাচক, কালেক্টরেট মোড়, কেরানিটোলা মোড় সহ বিভিন্ন এলাকায় দলীয় পতাকায় মুড়ে দেয় তৃণমূল। এছাড়া সিপিআই ও বিজেপির তরফেও বিভিন্ন এলাকায় দলীয় পতাকা লাগানো হয়। বাদ যায়নি গ্রামীণ এলাকাও। শালবনী, মেদিনীপুর সদর ব্লকের ৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বহু দলীয় পতাকা লাগানো হয়। জানা গিয়েছে, শালবনী ব্লকে দলীয় পতাকা লাগানো নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে টক্কর শুরু হয়। তৃণমূল ও বিজেপি একত্রে এই ব্লকে ৬০ হাজারের বেশি দলীয় পতাকা লাগিয়েছে। যা রেকর্ড।
একজন তৃণমূল নেতার কথায়, শুধু শহর এলাকায় ১৫ হাজারের বেশি দলীয় পতাকা লাগানো হয়েছিল। প্রতিটি পতাকার দাম গড়ে ২০ টাকা। এত টাকা খরচ করে কেনা পতাকা নষ্ট করতে চাইছে না দলীয় নেতৃত্ব। একইসঙ্গে ধাপে ধাপে বিভিন্ন এলাকা থেকে ফ্লেক্স ও ব্যানার খুলে ফেলা হবে। যাতে ঝড়-বৃষ্টির সময় কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে।
বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, শহরের পাশাপাশি আমরাও গ্রামীণ এলাকায় সমান তালে প্রচার করেছি। দলীয় পতাকায় বিভিন্ন এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছিল। আমাদেরও লক্ষ্য ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন। তাই এখন থেকেই নানা পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মানুষ আমাদের পাশেই থাকবেন।



