সংবাদদাতা, কান্দি: মাসখানেক আগেই কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ডায়ালিসিস ইউনিট চালু হয়েছে। সোমবার থেকে হাসপাতালের ১৫৪ শয্যার নতুন ভবনও চালু হয়ে গিয়েছে। তারপরই এখানে ডিজিটাল এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান যন্ত্র বসানোর অনুমোদন দিল স্বাস্থ্যদপ্তর। এতে খুশি কান্দি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এই হাসপাতালে কান্দি মহকুমার পাঁচটি ব্লক ছাড়াও বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমানের কিছু এলাকার রোগীরাও চিকিৎসা করাতে আসেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতালে শয্যা পাওয়া নিয়ে রোগীরা সমস্যায় পড়ছিলেন। নতুন ১৫৪শয্যার ভবন চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে। কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী এই ভবনের উদ্বোধন করেছেন।
মাসখানেক আগে হাসপাতালে ডায়ালিসিস ইউনিট চালু হয়েছে। তার আগে রক্ত পরীক্ষার আধুনিক যন্ত্র চালু হয়েছে। সেই যন্ত্রের মাধ্যমে একসঙ্গে ২০০জন রোগীর ৪০প্রকার রক্ত পরীক্ষা করা হয়।
এবার কান্দি হাসপাতালের মুকুটে নতুন পালক জুড়তে চলেছে। কান্দির এসিএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, এবার ডিজিটাল এক্স-রে যন্ত্র ও সিটি স্ক্যান পরিষেবা চালু হতে চলেছে। অনেকদিন আগেই ওই দু’টি যন্ত্র বসানোর জন্য স্বাস্থ্যদপ্তরের কাছে অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। দু’টি যন্ত্রই বসানোর অনুমোদন মিলেছে। ডিজিটাল এক্স-রে যন্ত্র খুব তাড়াতাড়ি বসানো হতে চলেছে। সিটি স্ক্যান যন্ত্র বসাতেও খুব একটা দেরি হবে না।
ওই দু’টি যন্ত্র বসালে কান্দি মহকুমার পাশাপাশি বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমানের বিস্তীর্ণ এলাকার রোগীরা উপকৃত হবেন। এখন এই দু’টি পরিষেবা পেতে এই বিশাল এলাকার রোগীদের বহরমপুর বা কলকাতায় যেতে হয়।
কান্দির বিধায়ক তথা হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান অপূর্ব সরকার বলেন, মাসখানেক আগে বিধানসভার স্বাস্থ্য বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছিলেন। ডিজিটাল এক্স-রে ও সিটি স্ক্যান যন্ত্র বসানোর মতো পরিকাঠামো আছে কিনা-সেটা তাঁরা খতিয়ে দেখেছেন। এরপর সোমবার ওই দু’টি যন্ত্র বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে তিন জেলার রোগীদের খুব সুবিধা হবে।