নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: দীঘায় জগন্নাথ মন্দির নির্মাণ করেছে রাজ্য সরকার। সুবিশাল মন্দিরের নানা কারুকার্য নজর কাড়ছে ভক্তদের। দূর-দূরান্ত থেকে বহু মানুষ আসছে। সমুদ্র সৈকত এখন ধর্মীয় পর্যটন স্থলের রূপ পেয়েছে। রথযাত্রায় লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে ভিড় জমিয়েছেন। বাংলার এই নতুন ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই শংকরপুর সর্বজনীন দুর্গাপুজোর এবারের প্যান্ডেল তৈরি হবে দীঘার জগন্নাথ মন্দিরের আদলে। এমনকী, পুজো মণ্ডপ চত্বরেই করা হবে হরিনাম সংকীর্তন। সেখানে অংশ নেবেন বিদেশিরাও, যা পুজোর আকর্ষণকে বাড়িয়ে তুলবে বলে পুজো উদ্যোক্তাদের আশা।
১৯৯৬ সাল থেকে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে পুজোর সূচনা হয়। দু’বছর সেখানে পুজো চলার পর রাজনৈতিক টানাপোড়েনে স্কুল চত্বরে পুজো বন্ধ হয়ে যায়। ২০০১ সাল থেকে শংকরপুরের ফুটবল মাঠে পুজো শুরু হয়। এবার পুজোর ২৬তম বর্ষ। প্রথম কয়েক বছর ধরে ছোট করেই পুজো হয়। কিন্তু ২৫তম বর্ষে আমেরিকার স্বামী নারায়ণ মন্দিরের আদলে প্যান্ডেল তৈরি করে উদ্যোক্তারা চমক দেন। সুবিশাল কাচের মণ্ডপ দেখতে মানুষের ভিড় আছড়ে পড়েছিল। ভিড় সামলাতে নাভিশ্বাস উঠেছিল পুলিসের। রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ছিল লম্বা লাইন। উদ্যোক্তাদের দাবি, এবার পুজো কমিটির সভাপতি করা হয়েছে পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারকে এবং কার্যকরী সভাপতি করা হয়েছে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে। ইতিমধ্যেই খুঁটিপুজো হয়ে গিয়েছে। শুরু হয়েছে মণ্ডপ তৈরির কাজ। পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বাধীন ঘোষ বলেন, গত বছর একাধিক সংস্থা আমাদের সেরার স্বীকৃতি দিয়েছে। আশা করি, এবারও মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারব। গত বছরের পুজো ও এবারের মণ্ডপ তৈরি চলছে।-নিজস্ব চিত্র