Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ধূপগুড়ি: ইউনিট টেস্টে বসতে দিতে হবে ১০০ টাকা! শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

স্কুলে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য পড়ুয়াদের কাছে টাকার দাবি সরকারি স্কুল শিক্ষকের। ১০০ টাকা দিলে তবে বসতে পারবে ইউনিট টেস্টে। টাকা না দিলে মিলবে না অনুমতি।

ধূপগুড়ি: ইউনিট টেস্টে বসতে দিতে হবে ১০০ টাকা! শিক্ষকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
  • ২৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: স্কুলে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য পড়ুয়াদের কাছে টাকার দাবি সরকারি স্কুল শিক্ষকের। ১০০ টাকা দিলে তবে বসতে পারবে ইউনিট টেস্টে। টাকা না দিলে মিলবে না অনুমতি। স্কুলের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এক শিক্ষকের এমন নিদানকে কেন্দ্র করে ধূপগুড়িতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিভাবক সহ স্কুল পরিদর্শক ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন। 

Advertisement

অভিযোগ, ধূপগুড়ির বৈরাতিগুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের এক শিক্ষক একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাসে ইউনিট টেস্ট নেওয়ার জন্য পড়ুয়াদের কাছে ১০০ টাকা করে দাবি করেন। এমনকি টাকা না দিলে পড়ুয়ারা ইউনিট টেস্টে বসতে পারবে না বলে রীতিমত নিদান দেন। এছাড়াও ক্লাসের এক পড়ুয়ার হাতে টাকা জমা দেওয়ার কথাও বলেন বলে অভিযোগ। এমনকি পরীক্ষা শেষ হলে ১০ টাকা দামের একটি কেক পড়ুয়াদের দেওয়ার টোপ দেওয়া হয় বলে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ। 
এই নিয়ে জলপাইগুড়ি জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) বালিকা গোলে বলেন, এটি সম্পূর্ণ অবৈধ। কোনও শিক্ষক এভাবে টাকা চাইতে পারে না। বিষয়টি আমি দেখব।
স্কুলের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্র বলেন, ক্লাসের মধ্যে স্যর আমাদের পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ১০০ টাকা করে দিতে বলেন। স্যর বলেন, যে টাকা দেবে সেই পরীক্ষা দেবে। পরীক্ষা নিতে টাকা খরচ হয়। দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী বলে, আমাদের ক্লাসের একজনকে টাকা তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা কেউ টাকা দিতে রাজি হইনি। এক অভিভাবক বলেন, আমার সন্তানের কাছে এই টাকার বিষয়টা জানতে পেরে স্যরকে ফোন করি। এটা জুলুম। এটা কোনও নিয়ম হতে পারে না। 
অভিযুক্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞান শিক্ষকের দাবি, ইউনিট টেস্ট নিলে একটা খরচ হয়। সেটার জন্য পড়ুয়াদের বলা হয়েছে। বাধ্যতামূলক বিষয় নেই। যে টাকা দেবে সে পরীক্ষায় বসবে। কারও কাছে জোর করা হয়নি। 
অভিযুক্ত শিক্ষক বিষয়টি স্বীকার করলেও স্কুলের টিচার ইনচার্জ নগেন রায় বলেন, আমি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, পড়ুয়ারা একটি মক টেস্ট দেওয়ার জন্য দাবি করেছিল। সেই মক টেস্ট নেওয়ার জন্য তিনি হয়তো মজা করেই পড়ুয়াদের কাছে টাকা চেয়েছিলেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ