সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি: পুজোয় পাহাড় ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে বা ডিএইচআরের। হেরিটেজ টয় ট্রেনে চেপে পাহাড়, নদী, চা বাগানের সঙ্গে পাহাড়ি বনভূমিতে ঘুরতে পারবেন পর্যটকরা। করতে পারবেন ট্রেকিং। এই জয় রাইডের মাধ্যমে অপার সৌন্দর্য, স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উপভোগ করতে পারবেন পর্যটকরা, এমনটাই দাবি ডিএইচআরের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরীর।
এই পরিকল্পনায় দু’টি রুটে দু’টি বিশেষ জয় রাইড টয় ট্রেন চলবে। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি চলছে। ডিএইচআর ডিরেক্টর বলেন, হেরিটেজ টয় ট্রেনে এখানকার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং পরিবেশ যাতে পর্যটকরা বিশেষভাবে উপভোগ করতে পারেন, সেই সুযোগ করে দেওয়ার জন্যই এই ভাবনা। এখানকার নদী, পাহাড়, চা বাগান এবং বনভূমিতে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পাবেন পর্যটকরা। করতে পারবেন ট্রেকিংও। বিশেষ প্রাপ্তি হিসেবে থাকবে আদিবাসীদের হাতে তৈরি মধ্যাহ্নভোজ। এই জয় রাইড সফরের জন্য বনদপ্তরের সঙ্গে ডিএইচআর মউ স্বাক্ষর করেছে।
প্রথম জয় রাইডটি টুং থেকে কার্শিয়াং পর্যন্ত যাবে। কার্শিয়াংয়ে আর্কাইভ মিউজিয়াম ঘুরে দেখার পর পর্যটকরা সেখান থেকে ডাওহিল যাবেন। সেখানকার বনভূমিতে ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি পাহাড়ি পথে ট্রেকিং করারও সুযোগ মিলবে। সারাদিন সেখানে কাটানোর পর দুপুরে থাকবে আদিবাসীদের হাতে তৈরি স্থানীয় খাবার। সূর্যাস্তের পর পর্যটকরা সেখান থেকে ফের টয় ট্রেনে করে ফিরে আসবেন।
আর একটি জয় রাইড চালুর ক্ষেত্রে চা ও বনভূমিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে জানান ঋষভ। তাঁর কথায়, এখানকার ঐতিহ্য টি ও টিম্বার। তার সঙ্গে পর্যটকদের পরিচয় করিয়ে দিতে এই জয় রাইড সুকনা থেকে রংটং পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সমতল ও পাহাড়ি পথজুড়ে পর্যটকরা উপভোগ করবেন চা বাগান, বন, চা শ্রমিকদের জীবনযাত্রা ও স্থানীয় সংস্কৃতি।
তবে, জয় রাইডের ভাড়া ও বুকিং শুরুর দিন এখনও ঠিক হয়নি। আলোচনা চলছে। শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএইচআরের ডিরেক্টর। ফাইল চিত্র