নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে বেআইনি অস্ত্রের কারবার। শনিবার রাতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের হাঁসখালি ও ধানতলা থানা এলাকায় বেআইনি অস্ত্রের বিরুদ্ধে পৃথক অভিযান চালায় সংশ্লিষ্ট দুই থানা। তাতে পাঁচজন বমাল গ্রেপ্তার হয়েছে। ধৃত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। এই অস্ত্র কেনাবেচার চক্রের জাল কতদূর ছড়িয়ে তার হদিশ পেতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধানতলা থানা শনিবার রাতে পুরাতন চাপড়া, বেলেহাটি পাড়ায় অভিযান চালিয়ে গৌতম বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে ধরে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি সচল দেশি আগ্নেয়াস্ত্র। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তদন্তকারীরা জানতে পারেন, ওই আগ্নেয়াস্ত্র সে সুখদেব মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির থেকে পেয়েছিল। পরবর্তীতে সেই সূত্রে সুখেন দেব নামে এক ব্যক্তির নাম সামনে আসে। অতঃপর শনিবার দ্বিতীয় অভিযান চালিয়ে বেআইনি অস্ত্র ব্যবসায়ে যুক্ত থাকার অভিযোগে সুখেন ও সুখদেবকে গ্রেপ্তার করে ধানতলা থানার পুলিস।
অন্যদিকে হাঁসখালি থানার তদন্তকারীদের সূত্র জানা গিয়েছে, বেআইনি অস্ত্র হাতবদল হয়েছে সূত্র মারফত এমন খবর পায় পুলিস। তার ভিত্তিতেই হাঁসখালি থানার পুলিস গ্রেপ্তার করে অমিত হালদার ওরফে ভেকু নামে এক যুবককে। এছাড়াও গ্রেপ্তার করা হয় রানা সরকার ওরফে সুমন নামে আরও একজনকে। তল্লাশি চালিয়ে রানার থেকে উদ্ধার করা হয় দেশি আগ্নেয়াস্ত্র। জিজ্ঞাসাবাদের সময় রানা তদন্তকারীদের জানায়, ভেকুর কাছ থেকেই আগ্নেয়াস্ত্রটি পেয়েছিল সে। ওই দুজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে হাঁসখালি থানা। দুই থানার অভিযানেই আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও উদ্ধার হয়েছে তাজা কার্তুজ।
প্রসঙ্গত, পাঁচজনকেই সংশ্লিষ্ট থানা নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। এই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবসার চক্র নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে কিনা, তা জানার জন্য ইতিমধ্যেই ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। হাঁসখালির ঘটনায় ভেকু এবং ধানতলা থানার হাতে ধৃত সুখেন আগ্নেয়াস্ত্রগুলি কোথা থেকে পেয়েছে তা জানার জন্য তদন্ত চলছে। তদন্তকারীদের তরফে এক কর্তা বলেন, বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবসার বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত অভিযান চালাই।
অন্যদিকে হাঁসখালি থানার তদন্তকারীদের সূত্র জানা গিয়েছে, বেআইনি অস্ত্র হাতবদল হয়েছে সূত্র মারফত এমন খবর পায় পুলিস। তার ভিত্তিতেই হাঁসখালি থানার পুলিস গ্রেপ্তার করে অমিত হালদার ওরফে ভেকু নামে এক যুবককে। এছাড়াও গ্রেপ্তার করা হয় রানা সরকার ওরফে সুমন নামে আরও একজনকে। তল্লাশি চালিয়ে রানার থেকে উদ্ধার করা হয় দেশি আগ্নেয়াস্ত্র। জিজ্ঞাসাবাদের সময় রানা তদন্তকারীদের জানায়, ভেকুর কাছ থেকেই আগ্নেয়াস্ত্রটি পেয়েছিল সে। ওই দুজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে হাঁসখালি থানা। দুই থানার অভিযানেই আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও উদ্ধার হয়েছে তাজা কার্তুজ।
প্রসঙ্গত, পাঁচজনকেই সংশ্লিষ্ট থানা নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। এই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবসার চক্র নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে কিনা, তা জানার জন্য ইতিমধ্যেই ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। হাঁসখালির ঘটনায় ভেকু এবং ধানতলা থানার হাতে ধৃত সুখেন আগ্নেয়াস্ত্রগুলি কোথা থেকে পেয়েছে তা জানার জন্য তদন্ত চলছে। তদন্তকারীদের তরফে এক কর্তা বলেন, বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবসার বিরুদ্ধে আমরা নিয়মিত অভিযান চালাই।



