নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: কাঁচা ধানের থোড় আসার এই সময় কুয়াশাচ্ছন্ন মেঘলা আবহাওয়ায় জেলার বেশ কয়েক জায়গায় বাদামি শোষকপোকার আক্রমণ শুরু হয়েছে। দুবরাজপুর, রামপুরহাট-২, বোলপুর-শ্রীনিকেতন সহ বেশ কিছু ব্লকের কয়েকটি মৌজায় ধানগাছে বিক্ষিপ্তভাবে শোষকপোকা দেখা যাচ্ছে। সেই কারণে এখন থেকেই চাষিদের সতর্ক করা শুরু করেছে কৃষিবিভাগ। শোষকপোকার হানা কমাতে জমি থেকে জল কেটে বের করা, কীটনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি আধিকারিকরা। সতর্কতামূলক লিফলেটও বিলি করা হচ্ছে চাষিদের মধ্যে।
Advertisement
জেলা কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ধানের শিষ আসার সময়ই পোকা লাগতে পারে। একটি জমিতে হলে পাশের জমিতেও ছড়িয়ে পড়ে। তাই চাষিদের শুরু থেকেই সতর্ক হতে বলা হচ্ছে। মাঠে গিয়ে ধানগাছগুলি পরিদর্শন করুক চাষিরা। যদি পোকার আক্রমণ বোঝা যায় তখন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। জেলাতে সেই অর্থে কোথাও তেমন বড়সড় ক্ষতির অভিযোগ সামনে আসেনি।
চাষিরা জানিয়েছে, দুবরাজপুর ব্লকের বেশ কিছু মৌজায় ধানজমিতে বাদামি শোষকপোকা হানা দিয়েছে। যেমন, পদুমা পঞ্চায়েত এলাকায় পর পর কয়েকবিঘা জমিতে শোষকপোকার আক্রমণ হয়েছে। যদিও সেই অর্থে গাছের কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে স্ত্রী পোকারা ধানগাছে ডিম পাড়তে শুরু করেছে। সেই ডিম ফুটেই পোকা গাছে আক্রমণ শুরু করছে। এর পাশাপাশি সিউড়ি-১ ব্লক, রামপুরহাট-২ ব্লক, বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের কয়েক জায়গার চাষিরাও এই পোকার হানার খবর সামনে আনছেন। চাষিরা কৃষি আধিকারিকদের গোচরেও এনেছেন বিষয়টি।
এখন ভোরের দিকে ব্যাপক কুয়াশা হচ্ছে। ফলে মেঘলা আবহাওয়া হয়ে থাকছে অনেকটা সময়। এই সময়ই শোষকপোকার বংশ বিস্তারের অনুকুল সময়। তাই বেশ কিছু সতর্কতার কথা শোনাচ্ছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। এক, জমির জল কেটে বের করে দিতে হবে। দুই, প্রয়োজনমত রাসায়নিক সার ও নাইট্রোজেনের ব্যবহার করতে হবে। তিন, ধান জমির গোড়ার দিকে যথেষ্ঠ পরিমাণ যাতে হাওয়া চলাচল করে সেদিকে নজর দিতে হবে। চার, পোকার আক্রমণ হয়েছে বুঝতে পারলে নাইট্রোজেন সার না দিয়ে পটাশ সারের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এতে শোষকপোকার আক্রমণ অনেকটাই কমানো যাবে বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।
দুবরাজপুরের পদুমার চাষি শেখ নিয়ামত বলেন, জলের উপর ধান গাছের গোড়া পোকায় খেতে শুরু করে দিয়েছে। অনেকগুলি পর পর জমিতে পোকা লেগেছে। বাদামি শোষকপোকাটাই বেশি দেখতে পাচ্ছি। অনেক চাষিই ওষুধ দিচ্ছে। কিন্তু তেমন কোনও কাজ হচ্ছে না। এখনও ধান পাকেনি। এই সময় গাছ নষ্ট করে দিলে খুবই ক্ষতি হবে। সবকিছু কৃষিদপ্তরে বলেছি। তাঁরা যা বলবেন সেইভাবেই করব। এই নিয়ে আরেক কৃষি আধিকারিক বলেন, একটি কানা উঁচু থালাতে সাবান গোলা জল নিয়ে ধানের ১০টি ঝাড় নিয়ে নাড়াতে হবে। যদি ৩০টি পোকা পড়ে তো বেশকিছু কীটনাশক দিতে হবে। এভাবেই আমরা চাষিদের পরীক্ষা করতে বলি। এই আবহাওয়া এক দু’দিনের মধ্যে কেটে গেলে পোকার আক্রমণও দূর হয়ে যাবে।
চাষিরা জানিয়েছে, দুবরাজপুর ব্লকের বেশ কিছু মৌজায় ধানজমিতে বাদামি শোষকপোকা হানা দিয়েছে। যেমন, পদুমা পঞ্চায়েত এলাকায় পর পর কয়েকবিঘা জমিতে শোষকপোকার আক্রমণ হয়েছে। যদিও সেই অর্থে গাছের কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে স্ত্রী পোকারা ধানগাছে ডিম পাড়তে শুরু করেছে। সেই ডিম ফুটেই পোকা গাছে আক্রমণ শুরু করছে। এর পাশাপাশি সিউড়ি-১ ব্লক, রামপুরহাট-২ ব্লক, বোলপুর-শ্রীনিকেতন ব্লকের কয়েক জায়গার চাষিরাও এই পোকার হানার খবর সামনে আনছেন। চাষিরা কৃষি আধিকারিকদের গোচরেও এনেছেন বিষয়টি।
এখন ভোরের দিকে ব্যাপক কুয়াশা হচ্ছে। ফলে মেঘলা আবহাওয়া হয়ে থাকছে অনেকটা সময়। এই সময়ই শোষকপোকার বংশ বিস্তারের অনুকুল সময়। তাই বেশ কিছু সতর্কতার কথা শোনাচ্ছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। এক, জমির জল কেটে বের করে দিতে হবে। দুই, প্রয়োজনমত রাসায়নিক সার ও নাইট্রোজেনের ব্যবহার করতে হবে। তিন, ধান জমির গোড়ার দিকে যথেষ্ঠ পরিমাণ যাতে হাওয়া চলাচল করে সেদিকে নজর দিতে হবে। চার, পোকার আক্রমণ হয়েছে বুঝতে পারলে নাইট্রোজেন সার না দিয়ে পটাশ সারের পরিমাণ বাড়াতে হবে। এতে শোষকপোকার আক্রমণ অনেকটাই কমানো যাবে বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।
দুবরাজপুরের পদুমার চাষি শেখ নিয়ামত বলেন, জলের উপর ধান গাছের গোড়া পোকায় খেতে শুরু করে দিয়েছে। অনেকগুলি পর পর জমিতে পোকা লেগেছে। বাদামি শোষকপোকাটাই বেশি দেখতে পাচ্ছি। অনেক চাষিই ওষুধ দিচ্ছে। কিন্তু তেমন কোনও কাজ হচ্ছে না। এখনও ধান পাকেনি। এই সময় গাছ নষ্ট করে দিলে খুবই ক্ষতি হবে। সবকিছু কৃষিদপ্তরে বলেছি। তাঁরা যা বলবেন সেইভাবেই করব। এই নিয়ে আরেক কৃষি আধিকারিক বলেন, একটি কানা উঁচু থালাতে সাবান গোলা জল নিয়ে ধানের ১০টি ঝাড় নিয়ে নাড়াতে হবে। যদি ৩০টি পোকা পড়ে তো বেশকিছু কীটনাশক দিতে হবে। এভাবেই আমরা চাষিদের পরীক্ষা করতে বলি। এই আবহাওয়া এক দু’দিনের মধ্যে কেটে গেলে পোকার আক্রমণও দূর হয়ে যাবে।



