নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: ‘বনে চলে বনমালি বনমালা দুলায়ে...’ এসে বনভোজনে যোগ দেবেন তিনি।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: ‘বনে চলে বনমালি বনমালা দুলায়ে...’ এসে বনভোজনে যোগ দেবেন তিনি।
সে ভোজনের হেঁসেল সামলাতে পানিহাটির রাঘব ভবনে খোদ বৃন্দাবন থেকে এসেছেন সন্ন্যাসীরা। এবছর ৩০০ গোপাল যোগ দেবেন বলে কুপন ছাপানো হয়েছিল। দু’দিন আগেই সব কুপন শেষ। কোচবিহার, শিলিগুড়ি, শান্তিপুর, বনগাঁ, বারাসত ছাড়াও গঙ্গার দু’পাড়ের জনপদ থেকে বনভোজনে খেতে আসছেন ৩০০ গোপাল ঠাকুর। চৈতন্যদেবের স্মৃতি বিজড়িত রাঘব ভবন সারাবছরই নানা অনুষ্ঠান ও উৎসবের আয়োজন করে। গত তিনবছর ধরে ১৪ ফেব্রুয়ারি হচ্ছে গোপালের বনভোজন অনুষ্ঠান। শুক্রবার রাত থেকে রাজকীয় পোশাকে ও স্বর্ণালঙ্কারে সেজে নিজেদের গোপাল ঠাকুরদের নিয়ে ভক্তরা আসা শুরু করেছেন পানিহাটিতে।
গোপালের ভোগে থাকছে পোলাও, পায়েস। এছাড়া রকমারি সব পদ। পাশাপাশি জলখাবারের থালায় মাখন, ললিপপ, ক্যাডবেরি ও ১৭ রকমের প্রসাদ, ফল ও মিষ্টি। এবার বনভোজনে প্রায় ১২০০ মানুষের প্রসাদ পাওয়ার ব্যবস্থা। সকাল থেকে শুরু হয়ে যাবে বনভোজন। প্রত্যেক গোপালের জন্য স্টিলের থালা ও বাটিতে সাজানো মাখন, মিছরি, ক্যাডবেরি, ললিপপ, লজেন্স, বিস্কুট, খই, চিঁড়ে, মুড়কি, ছানার গজা, কাজু, কিসমিস, খেজুর, আমসত্ত্ব, লাড্ডু, বাতাসা ও ফল। দুপুরের ভোগে পোলাও, আলুর দম, চাটনি, পায়েস, মালপোয়া ও নানা ধরনের মিষ্টি। বনভোজন শেষে বিকেলে গোপালকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যাবেন ভক্তরা।
শুক্রবার বিকেল থেকেই সাজো সাজো রব রাঘব ভবনে। দূর-দূরান্তের ভক্তরা গোপালের বনভোজনে উপস্থিত। ভবনের কোষাধ্যক্ষ সূর্যকান্ত কুণ্ডু বলেন, ‘দু’দিন আগেই কুপন শেষ। অনেককেই আমরা কুপন দিতে না পারায় ক্ষমাপ্রার্থী। বৃন্দাবন থেকে সাধুরা প্রসাদ তৈরির জন্য উপস্থিত হয়েছেন। আজ গোপাল মহামিলন উৎসব পানিহাটিতে।’