নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: আইনি বিয়ের পরও ঘরে নেয়নি প্রেমিক। অগত্যা সংসার করার দাবি জানিয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে শ্বশুরবাড়ির সামনে ধর্নায় বসলেন নিরুপায় স্ত্রী। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে শান্তিপুর থানা এলাকার বেলঘড়িয়া খাপড়াডাঙ্গা এলাকায়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: আইনি বিয়ের পরও ঘরে নেয়নি প্রেমিক। অগত্যা সংসার করার দাবি জানিয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে শ্বশুরবাড়ির সামনে ধর্নায় বসলেন নিরুপায় স্ত্রী। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে শান্তিপুর থানা এলাকার বেলঘড়িয়া খাপড়াডাঙ্গা এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খাপড়াডাঙ্গার বাসিন্দা সঞ্জয় দাসের সঙ্গে মহিলার দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কও করে সঞ্জয়। সম্প্রতি রেজিস্ট্রি করে বিয়েও হয় তাঁদের। কিন্তু তাঁদের সম্পর্ক কার্যত ‘ইউ টার্ন’ নেয় গত কয়েক সপ্তাহে। অভিযোগ, শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সংসার করার দাবি জানানোর পর থেকেই ওই তরুণীকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন সঞ্জয়। স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন তিনি। তরুণী বলেন, সঞ্জয়ের দাদা সুজয় সিভিক ভলান্টিয়ার। সেই ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ক্রমাগত আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পুলিস দিয়ে আমাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ভয় দেখানো হচ্ছে। আমাকে আইনিভাবে বিয়ে করার পরেও কেন আমার দায়িত্ব নেবে না সঞ্জয়? আমি তাই বাধ্য হয়ে এই ধর্নায় বসেছি।
ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। খবর যায় শান্তিপুর থানাতেও। পুলিস ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। বৈধভাবেই যে সঞ্জয়ের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল, তার সমস্ত তথ্য প্রমাণ পুলিসের কাছে তুলে ধরেন ওই তরুণী। অভিযুক্ত সঞ্জয়ের আত্মীয় অঞ্জু দাস বলেন, ওই মেয়েটি মোটেও ভালো নয়। পরিকল্পনা করেই সঞ্জয়কে বিয়ে করেছে ও। এলাকার লোকজনের থেকে যখন মেয়েটির ব্যাপারে জানতে পারি, তখন সঞ্জয় বুঝতে পারে ভুল হয়ে গিয়েছে। তবে বিতর্ক দানা বাদে অঞ্জু দেবীর এর পরবর্তী বক্তব্যে। তিনি ক্যামেরার সামনে হঠাৎ বলে বসেন, যদি কিছু টাকা দিয়ে বিষয়টি মেটানো যায় তাহলে দেখে দিন দয়া করে। যদিও পরিবারের দাবি, অঞ্জুদেবী বয়স্ক মানুষ। বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার কথা বলতে গিয়ে গোলমাল করে ফেলেছেন। এই জাতীয় বিতর্কিত কথা বলার কোনও উদ্দেশ্যই তাঁর ছিল না। -নিজস্ব চিত্র