Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের চাহিদা তুঙ্গে, সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন বাড়ি এখন ছোট ছোট ‘স্টক পয়েন্ট’

শীতকাল হল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ পাচারের ‘সোনালি মরশুম’। ঠান্ডা যত পড়ে সঙ্গে সঙ্গে চাহিদাও বাড়ে। সীমান্তরক্ষা বাহিনী ও পুলিশের নজরদারি এড়িয়ে কাশির সিরাপ পাচারের পুরনো ছক বদলেছে মাদক কারবারিরা।

বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের চাহিদা তুঙ্গে, সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন বাড়ি এখন ছোট ছোট ‘স্টক পয়েন্ট’
  • ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ডোমকল: শীতকাল হল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ পাচারের ‘সোনালি মরশুম’। ঠান্ডা যত পড়ে সঙ্গে সঙ্গে চাহিদাও বাড়ে। সীমান্তরক্ষা বাহিনী ও পুলিশের নজরদারি এড়িয়ে কাশির সিরাপ পাচারের পুরনো ছক বদলেছে মাদক কারবারিরা। ঝক্কি কমাতে সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন বাড়িতে তৈরি হচ্ছে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের ছোট ছোট ‘স্টক পয়েন্ট’। গোপনে বাড়ির মধ্যেই মজুত থাকছে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। পরে সুযোগ বুঝে তা পাচার করা হচ্ছে বাংলাদেশে। 

Advertisement

শীতকালে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের চাহিদা তুঙ্গে থাকে। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মাঝেমধ্যেই নজরদারিতে সমস্যা হয়। সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে বছরের এই সময় এলেই সক্রিয় হয়ে ওঠে চোরাকারবারিরা। তবে গত কয়েক বছরে জেলায় পুলিশের লাগাতার অভিযানে একাধিকবার নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়েছে পাচারকারীরা। আর তাতেই পুরনো পদ্ধতি ছেড়ে পাচারের জন্য নতুন কৌশল নিচ্ছে কারবারিরা।
গোয়েন্দা সূত্রের খবর, এবার সরাসরি পাচারের ঝুঁকি না নিয়ে সীমান্তের বিভিন্ন গ্রামে গোপনে ‹স্টক পয়েন্ট› করছে পাচারকারীরা। ধাপে ধাপে সিরাপ এনে ওখানে রাখা হচ্ছে। ‘আবহাওয়া অনুকূল’ হলেই সহজেই সিরাপ বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। 
সপ্তাহ খানেক আগে রানিনগরের শেখপাড়ার একটি বাড়িতে ঠিক এই কায়দাতেই লুকিয়ে রাখা হয়েছিল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ হানা দিতেই বাড়ির ভিতর থেকে থরে থরে সাজানো বিপুল পরিমাণ সিরাপ বাজেয়াপ্ত হয়। তার আগেও রানিনগর, সাগরপাড়া, জলঙ্গি থানা এলাকার একাধিক বাড়ি থেকে একইভাবে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।
তবে শুধু সীমান্তবর্তী গ্রামই নয়, গোয়েন্দা সূত্রের আরও খবর, ঘন ঘন ধরা পড়ার জেরে এবার সীমান্ত লাগোয়া থানাগুলির পাশের থানা এলাকায় তৈরি করা হচ্ছে বড় ‘স্টক পয়েন্ট’। পরে সুযোগ বুঝে টোটো, বাইক, গাড়িতে দফায় দফায় সেই সিরাপ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সীমান্তের ছোট স্টক পয়েন্টগুলিতে। এরপর সুযোগ বুঝে তা পাচার হচ্ছে বাংলাদেশে। 
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ডোমকলের গড়াইমারি এলাকায় এমনই একটি ছোট স্টক পয়েন্টে হানা দিয়েছিল পুলিশ। ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ২০ হাজার ৪০০ বোতল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ