Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

দূষণ ও কুয়াশার দাপটে নাজেহাল দিল্লিবাসী, বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনাও

দূষণের হাত থেকে রক্ষা নেই রাজধানীর। বিষ বায়ু ও ঘন কুয়াশার দাপটে নাজেহাল দিল্লিবাসী। শনিবারের তুলনায় রবিবারের পরিস্থিতি ছিল আরও খারাপ।

দূষণ ও কুয়াশার দাপটে নাজেহাল দিল্লিবাসী, বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনাও
  • ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: দূষণের হাত থেকে রক্ষা নেই রাজধানীর। বিষ বায়ু ও ঘন কুয়াশার দাপটে নাজেহাল দিল্লিবাসী। শনিবারের তুলনায় রবিবারের পরিস্থিতি ছিল আরও খারাপ। এদিন সকাল ৬টা নাগাদ রাজধানীর বাতাসের গুণমান (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা একিউআই) ছিল ৪৬২। শনিবার যা ছিল ৪৩১।

Advertisement

রবিবার দিল্লির ৪০টি এয়ার কোয়ালিটি মনিটরিং স্টেশনে বাতাসের গুণমান ‘লাল’ দেখা গিয়েছে। অর্থাৎ ‘গুরুতর’ ছিল পরিস্থিতি। সবথেকে খারাপ অবস্থা রোহিনীর। সেখানে একিউআই ৪৯৯। দ্বিতীয় স্থানে ছিল জাহাঙ্গিরপুর ও বিবেক বিহার (৪৯৫)। তার পরেই পূর্ব দিল্লির পাটপরগঞ্জ (৪৮৮)। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দিল্লি প্রশাসন। গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান-৪ (জিআরএপি) চালু করা হয়েছে দিল্লিজুড়ে। কোনও ট্রাক রাজধানীতে ঢুকতে পারবে না। তবে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত গাড়িকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। সড়ক নির্মাণ সহ অন্যান্য সরকারি নির্মাণ প্রকল্প আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রাথমিক স্কুলের পাশাপাশি ষষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের হাইব্রিড (অনলাইন ও অফলাইন) পদ্ধতিতে ক্লাস চালু করার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ নাগরিকদের, বিশেষ করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। এদিকে, ঘন কুয়াশার জেরে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা। হরিয়ানার রোহতকে অন্তত ৪০টি গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ে। বেশিরভাগই ট্রাক-বাস। একাধিক দুর্ঘটনায় জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন। রেওয়াড়িতেও চারটি বাস দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। জখম হন অন্তত ছ’জন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ