ওয়শিংটন: শুল্কযুদ্ধের জেরে দুই দেশের সম্পর্ক ঘিরে টানাপোড়েন অব্যাহত। এরইমাঝে বৃহস্পতিবার মোদি-ট্রাম্প সম্পর্কে জট কাটার ইঙ্গিত দিলেন ভারতে আমেরিকার হবু রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। তাঁর কথায়, ট্রাম্প প্রশাসন চায় আমেরিকার পেট্রোপণ্য কিনুক ভারত। ভারতের মধ্যবিত্তের বাজার গোটা আমেরিকার থেকেও বড়। তাই বাণিজ্যক্ষেত্রে দুই দেশের বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। সব ঠিক থাকলে বছরের শেষদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভারত সফরের ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
সূত্রের খবর, ভারতের পরবর্তী রাষ্ট্রদূত হিসেবে সার্জিওকে বেছে নিয়েছেন ট্রাম্প। বর্তমানে হোয়াইট হাউসের প্রেসিডেন্সিয়াল পার্সোনেল অফিসের ডিরেক্টর তিনি। সেই সূত্রে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও ভবিষ্যতের সমীকরণ নিয়ে বিস্তারিত জানালেন ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ এই রাজনীতিবিদ। তিনি বলেন, ‘ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে কথা চলছে। ভারতে আমেরিকার তেল ও পেট্রোপণ্য বিক্রি নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। ১৪০ কোটির দেশ ভারত। এখানকার মধ্যবিত্তের বাজার গোটা আমেরিকার থেকেও বড়। এখানকার বাজারে বিপুল সুযোগ রয়েছে। আর সেই লক্ষ্যেই কথা চলছে।’ যদিও বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য, ভারতের রাশিয়া নির্ভরতা কমাতেই এই রণকৌশল তৈরি করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
রাশিয়ার সঙ্গে ‘সুসম্পর্ক’ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রোষে পড়েছেন ‘বন্ধু’ মোদি। সেই সূত্রে ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্কও চাপানো হয়েছে। এই আবহে দুই রাষ্ট্রনেতার গভীর বন্ধুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন সার্জিও। তিনি জানান, বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্কে চাপানউতোর দেখা দিলেও দ্রুত যাবতীয় সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। চলতি বছরের শেষদিকে কোয়াড সম্মেলনেও যোগ দিতে পারেন ট্রাম্প। নয়াদিল্লিতে এসে কথা বলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও।