মুম্বই: কাজ ভালোবাসতেন। ১১ জুন জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে ডিউটির জন্য ডাকা হয়। অগত্যা ছুটি বাতিল করে ১২ জুনের ‘অভিশপ্ত’ বিমানে কাজে যোগ দেন। সেটাই কাল হল। আর বাড়ি ফেরা হল না কেবিন ক্রু দীপক পাঠকের। বাড়ি মহারাষ্ট্রের পূর্ব বদলাপুরে। বৃহস্পতিবারই আমেদবাদে পৌঁছে গিয়েছেন দীপকের দুই বোন। শুক্রবার তাঁদের ডিএনএ সংগ্রহ করে দেহ শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে।
তুতো ভাই শচীন খাড়তালের কথায়, মাস ছয়েক আগে কেবিন ক্রু পদে প্রমোশন পেয়েছিল দীপক। মূলত আন্তর্জাতিক বিমানেই ডিউটি পড়ত তাঁর। ১০-১৫ দিন অন্তর বাড়ি ফিরত। সম্প্রতি বাড়ি ফেরার পর শরীরটা ভালো ছিল না। শারীরিক অসুস্থতার জন্য ছুটি নিয়েছিল। কিন্তু ছুটি বাতিল করে কাজে যোগ দেওয়াই কাল হল। জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার দিন সকালে মাকে ফোন করেছিল দীপক। সেটাই শেষ ফোন ছিল।