ঢাকা: বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে সেনাবাহিনীর গুলিতে আহত আরও একজনের মৃত্যু হল। শুক্রবার রমজান মুন্সি নামে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবারের সংঘর্ষে রমজান গুরুতর আহত হয়েছিলেন। প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিত্সা চললেও, পরে তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এই নিয়ে সরকারি হিসেবে সেনার গুলিতে পাঁচজনের মৃত্যু হল। যদিও আওয়ামি লিগের দাবি, মৃতের সংখ্যা আরও বেশি। গুলিবিদ্ধ অনেকের দেহ স্থানীয় জলাশয় ও নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। এদিকে, গোপালগঞ্জে এখনও কার্ফু চলছে। শনিবার ভোর পর্যন্ত কার্ফুর সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তার সঙ্গে চলছে ধরপাকড়। এখনও পর্যন্ত ১৬০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও গোটা এলাকা থমথমে। সাধারণ মানুষকে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করেছে সেনা। অফিস, দোকানপাট সব বন্ধ। সেনার পাশাপাশি বিজিবি ও উপকূলরক্ষী বাহিনীর সদস্যদেরও গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। নদীপথেও টহল দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। রাস্তায় ঘুরছে সাঁজোয়া গাড়ি।



