Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

ডিএ মৌলিক অধিকার নয়, স্বীকার কর্মচারী সংগঠনেরই, কিছু বকেয়া মেটাতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

ডিএ কোনও ‘মৌলিক অধিকার’ নয় ঠিকই। তবে অধিকার। নট ফান্ডামেন্টাল রাইট, বাট রাইট। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালাউন্স বা ডিএ) মামলার শুরুতে একথা মেনে নিল কর্মচারীদের সংগঠন।

ডিএ মৌলিক অধিকার নয়, স্বীকার কর্মচারী সংগঠনেরই, কিছু বকেয়া মেটাতে বলল সুপ্রিম কোর্ট
  • ৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:০৮
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ডিএ কোনও ‘মৌলিক অধিকার’ নয় ঠিকই। তবে অধিকার। নট ফান্ডামেন্টাল রাইট, বাট রাইট। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালাউন্স বা ডিএ) মামলার শুরুতে একথা মেনে নিল কর্মচারীদের সংগঠন। রাজ্য সরকারি কর্মীরা এই মামলায় বিবাদী। তাদের হয়ে এদিন আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী গোপাল সুব্রহ্মণ্য। আর তাঁর মুখে একথা জেনে রাজ্য সরকারও নিজের পক্ষে যুক্তি মজবুত করল। 

Advertisement

এদিন শুনানির শুরুতেই  রাজ্য সরকারের আ‌ইনজীবী শ্যাম দিওয়ান বলেন, ডিএ যেমন কোনও মৌলিক অধিকার নয়, একইভাবে কোনও আদালতও এ বিষয়ে নির্দেশ চাপিয়ে দিতে পারে না। এটার কোনও আইনি অধিকারও নেই। উপভোক্তা মূল্য সূচক (কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স) দেখে তা দেওয়া হয়।  তাছাড়া রাজ্য যে ডিএ দিচ্ছে না, তা তো নয়। দিচ্ছে। আরও অনেক রাজ্যই কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেয় না। 
সেই সুর ধরেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আর এক আইনজীবী কপিল সিবাল বিষয়টিতে অন্য মোচড় দেন। তিনি বলেন, রাজ্যের কোটি কোটি টাকা পাওনা আটকে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১০০ দিনের কাজ, আবাস যোজনার মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা দিচ্ছে না। সেই টাকা রাজ্যকেই খরচ করতে হচ্ছে। ফলে আমরা কোথা থেকে টাকা দেব? ধার করে ডিএ দেব? কার থেকে ধার নেব? কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়া কী করে সম্ভব? 
মঙ্গলবার ডিএ মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। আজও হবে। তবে এদিন রাজ্যের বক্তব্য শুনে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রর বেঞ্চ শুনানির পর্যবেক্ষণে রাজ্য সরকারি কর্মীদের পক্ষেই মন্তব্য করে। বিচারপতি কারোল বলেন, ‘কিন্তু ওরা তো আপনারই কর্মচারী। বকেয়ার কিছু তো অন্তত দিন। তারপর মামলা চলুক। ফয়সালা যা হবে দেখা যাবে।’ পাল্টা সিবালের সওয়াল, কীসের কিছু অংশ? আগে তো সেটার 
হিসেব কষতে হবে। তারপর তো ভাবা। যদিও বিচারপতি ফের বলেন, ‘কিছু তো দিন।’ উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া ডিএ’র অন্তত ২৫ শতাংশ ছ’ সপ্তাহের মধ্যে দিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এদিন কোনও শতাংশের হার উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, ‘কিছু তো অন্তত দিন।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ