সংবাদদাতা, বসিরহাট: উপচে পড়া ভিড় টাকি ইছামতীর পাড়ে। এপার আর ওপার বাংলার বিসর্জন দেখার জন্য প্রশাসনের কড়াকড়ি সত্ত্বেও বিপুল ভিড় হয় প্রতিবছর। প্রশাসন নদীর মাঝ বরাবর সীমারেখা তৈরি করে দেয়। বিসর্জন দেখতে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া এদিন টাকি রাজবাড়ি ঘাটে উপস্থিত হন। ইছামতীর পাড়ে দাঁড়িয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে টাকির বিসর্জন রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে নেবে। রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা অপেক্ষা করে থাকেন বাংলাদেশি প্রতিমার নিরঞ্জন দেখার জন্য। বিগত কয়েক বছর ধরে আর সেভাবে বাংলাদেশি প্রতিমা ইছামতী নদীতে বিসর্জন করতে দেখা যায় না। তবে ইছামতীর অপর পাড়ে প্রচুর বাংলাদেশি দর্শনার্থী ভারতের প্রতিমা নিরঞ্জন দেখার জন্য ভিড় জমান।
প্রতিমার নিরঞ্জন দেখতে আসা কলকাতা বাঘাযতীনের বাসিন্দা তাপস হালদার বলেন, কয়েক বছর আসা হয় না টাকিতে বিসর্জন দেখতে। এবার এসে ভাবলাম বাংলাদেশি প্রতিমার বিসর্জন দেখতে পাবো। কিন্তু তা আর হল না। বাংলাদেশশের অনেক প্রতিমার নিরঞ্জন ইছামতীতেই হয়েছে। কিন্তু সেদেশের নৌকাগুলি ভারতের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় না আসায় তা দেখার সৌভাগ্য হয়নি। এই বিষয় টাকি পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রতি বছর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে নজর রাখি।



