Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পৌষের প্রথম শনিবার বিষ্ণুপুর কালী মন্দিরে উপচে পড়ল ভিড়

পৌষ মাসের প্রথম শনিবারে বহরমপুরের বিষ্ণুপুর কালীমন্দিরে পুজো দিতে উপচে পড়া ভিড়। শনিবার কুয়াশায় ঢাকা শীতের সকালে মন্দিরে পুজো দিতে ভক্তদের লম্বা লাইন চোখে পড়ে।

পৌষের প্রথম শনিবার বিষ্ণুপুর কালী মন্দিরে উপচে পড়ল ভিড়
  • ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বহরমপুর: পৌষ মাসের প্রথম শনিবারে বহরমপুরের বিষ্ণুপুর কালীমন্দিরে পুজো দিতে উপচে পড়া ভিড়। শনিবার কুয়াশায় ঢাকা শীতের সকালে মন্দিরে পুজো দিতে ভক্তদের লম্বা লাইন চোখে পড়ে। এদিন বেলা যত গড়িয়েছে লাইন তত দীর্ঘ হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে পুজোর ব্যবস্থাপনায় মন্দির কমিটির উদ্যোগের কিন্তু কোনও অভাব ছিল না। প্রচুর স্বেচ্ছাসেবীর পাশাপাশি সিভিক ভলান্টিয়ার, পুলিশ মোতায়েন হয়েছিল মন্দির চত্বরে। শনিবার প্রায় সাত হাজার ভক্ত মায়ের পুজো দিয়েছেন বলে দাবি মন্দির কমিটির।  সেবাইত তোতন পান্ডে বলেন, প্রথম শনিবারেই প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়েছে। পৌষ মাস জুড়ে চলবে এই বিশেষ পুজো। পৌষ মেলারও আয়োজন হয়েছে এখানে। ভিন জেলা থেকেও ভক্তরা পুজো দিতে আসেন বিষ্ণুপুরে।

Advertisement

পৌষের প্রথম শনিবার  ছিল অমাবশ্যা তিথি। দুই তিথির কারণে এদিন পুজো দেওয়ার উৎসাহ ছিল ভরপুর। পৌষে বিষ্ণুপুর কালী মন্দিরে পুজোর অন্যতম উপকরণ হল মুলো-সহ গাছ ও সরষে গাছ। মাটির সরায় এই দুই উপাচার সহ ফল, ফুল, মিষ্টি দিয়ে পুজো দেওয়ার প্রথা রয়েছে।
নদীয়ার কল্যাণী থেকে বহরমপুরের বিষ্ণুপুরে পুজো দিতে এসেছিলেন মৌমিতা সরকার। তিনি বলেন, দশ বছর ধরে পৌষ মাসের প্রথম শনিবার এখানে পুজো দিয়ে আসছি।  যতদিন বাঁচব শরীর পারমিট করলে প্রতিবছর এখানে আসব। 
বীরভূমের রামপুরহাট থেকে বহরমপুরে আত্মীয়ের বাড়ি থেকে পুজো দিতে এসেছিলেন শিপ্রা ঘোষ। শিপ্রাদেবী বলেন, বীরভূমবাসীর কাছে তারাপীঠ অন্যতম পীঠস্থান। বিষ্ণুপুরের মা কালীর আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্য শুনে এবার প্রথম এলাম এখানে। খুব সুষ্ঠুভাবে এবং ভক্তিভরে পুজো দেওয়ার সুযোগ পেয়ে  মানসিক তৃপ্তি পেয়েছি। শনিবার সকাল থেকে মেঘাচ্ছন্ন ছিল মুর্শিদাবাদের আকাশ। চারিদিক ছিল কুয়াশায় ঢাকা। এক ঝটকায় বেশ কিছুটা পারদ পতনও হয়েছে। তাতেও পৌষের প্রথম শনিবার ভক্তদের উৎসাহে এতটুকু ভাটা পড়েনি। বহু পরিবার পুজো দেওয়ার পর এখানেই বনভোজনে মেতে ওঠেন। • নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ