Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শীত পড়তেই বক্রেশ্বরে বাড়ছে ভিড় ৩ কোটি টাকায় উন্নয়নের উদ্যোগ

শীত পড়তেই বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় বাড়ছে। বক্রেশ্বর ধামও তার ব্যতিক্রম নয়। দল বেঁধে বেড়াতে আসছেন পর্যটকরা।

শীত পড়তেই বক্রেশ্বরে বাড়ছে ভিড় ৩ কোটি টাকায় উন্নয়নের উদ্যোগ
  • ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

শুভদীপ পাল, সিউড়ি: শীত পড়তেই বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় বাড়ছে। বক্রেশ্বর ধামও তার ব্যতিক্রম নয়। দল বেঁধে বেড়াতে আসছেন পর্যটকরা। শীতের আমেজে আনন্দ করছেন তাঁরা। সতীপীঠে পুজোও দিচ্ছেন পুণ্যার্থীরা। এবার বক্রেশ্বর ধামের সার্বিক উন্নয়নে জেলা পরিষদ উদ্যোগী হয়েছে। প্রায় তিন কোটি টাকা খরচে এই কাজ হচ্ছে। উষ্ণ প্রস্রবণ থেকে শুরু করে বক্রেশ্বর মহাশ্মশানেও পরিকাঠামো উন্নয়ন হবে। এর মধ্যে আড়াই কোটি টাকায় পানীয় জলপ্রকল্প গড়া হবে।

Advertisement

জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন, বক্রেশ্বর ধামের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আমাদের এই উদ্যোগ। ওখানে প্রচুর মানুষ আসেন। তাঁদের সুবিধার জন্যই জেলা পরিষদ এসমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ করছে।
বীরভূম জেলায় একাধিক সতীপীঠ ও সিদ্ধপীঠ রয়েছে। জেলার অন্যতম তীর্থস্থান বক্রেশ্বর ধাম। প্রতিদিন এখানে ভিনজেলা, এমনকী ভিনরাজ্য থেকেও প্রচুর পুণ্যার্থী এখানে আসেন। তাই বক্রেশ্বর ধামের পরিকাঠামো উন্নয়নে জেলা পরিষদ উদ্যোগী হয়েছে। প্রায় সাড়ে আটলক্ষ টাকা খরচে উষ্ণ প্রস্রবণের ঘাট সংস্কার করা হয়েছে। বক্রেশ্বর মহাশ্মশানে প্রায় ১৮লক্ষ টাকা খরচে বৈদ্যুতিক চুল্লি বসানো হচ্ছে। সেই কাজ অনেকটাই শেষ হয়েছে।
এছাড়া, প্রায় তিন লক্ষ ৪০হাজার টাকা খরচে বক্রেশ্বর নদীর উপর একটি ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে। বক্রেশ্বর মন্দির থেকে গেট পর্যন্ত প্রায় দু’লক্ষ টাকার বাতি লাগানো হয়েছে। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রায় একলক্ষ টাকায় গেট থেকে মন্দির পর্যন্ত সিসি ক্যামেরা বসিয়েছে জেলা পরিষদ। এই সমস্ত কাজই জেলা পরিষদের নিজস্ব তহবিলের টাকায় হয়েছে।
এছাড়া, বক্রেশ্বর ধামে আসা পুণ্যার্থীদের পানীয় জলের অভাবে যাতে সমস্যায় পড়তে না হয়, সেজন্য প্রায় আড়াই কোটি টাকায় জলপ্রকল্প করা হচ্ছে। পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের তরফে সেই টাকা দেওয়া হয়েছে। বক্রেশ্বর মন্দির ও ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের কাছে সেই প্রকল্পের কাজ হবে। ইতিমধ্যে গোয়ালিয়াড়া পঞ্চায়েতকে সেই টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভিনজেলা থেকে আসা এক পর্যটক বলেন, সময় পেলেই প্রতি বছর শীতকালে সপরিবারে এখানে আসি। সতীপীঠে পুজো দিই। এখান থেকে তারাপীঠ হয়ে বাড়ি ফিরব। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ